সর্বশেষ
ভোলার চরফ্যাশনে ধরাছোঁয়ার বাইরে ‘মাদক সম্রাট’ নয়ন: রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬ এর প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীতে দুর্গোৎসব উপলক্ষে উপহার বিতরণ নালিতাবাড়ী পৌর জামায়াতের ৭ নং ওয়ার্ডের সভাপতি জিহান নোয়াখালীতে প্রতিবন্ধী যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় রহস্য উর্দঘাটন গ্রেপ্তার ৪ ফুলপুরে ভাইটকান্দি সাদিকা ট্রেডার্সের সংবাদ সম্মেলন: এআই দিয়ে ছবি বিকৃত করে অপপ্রচারের প্রতিবাদ। কুষ্টিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজা ও টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার-১০ জুড়ীতে গর্ভবতী মা ও নবজাতক শিশু কার্যক্রমের উদ্বোধন বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ শেরপুর জেলাজুড়ে নানা আয়োজনে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

মতপার্থক্য নয়? জনগণের চোখে ধুলা দেওয়া কি তবে নতুন কৌশল?

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৭:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫ ১০৪ বার পড়া হয়েছে

সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে কোনো মতবিরোধ নেই—এমন দাবিতে মুখর হয়েছে সেনা সদর। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে নাকি সেনাবাহিনীর সম্পর্ক চমৎকার! সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এমন চিত্রই তুলে ধরেছেন মিলিটারি অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌলা। অথচ বাস্তবতা কি সত্যিই এত সরল?

বিগত কিছুদিনে করিডর, কুকি-চিন, পুশইন কিংবা সেনাপ্রধানের বক্তব্য—সবকিছুতেই যে ধোঁয়াশা ও অস্বচ্ছতা সৃষ্টি হয়েছে, তা কি এই ‘চমৎকার সম্পর্ক’-এরই প্রতিফলন? জনগণ যখন প্রশ্ন তোলে, তখন এমন মসৃণ ও ঘষামাজা বক্তব্য দিয়ে সত্য গোপনের চেষ্টা কি বোকা বানানোর সামিল নয়?

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বলেন, “সরকার এবং সেনাবাহিনী খুব সুন্দরভাবে একে অপরের সহযোগিতায় কাজ করছে।” যদি তা-ই হয়, তবে বিভিন্ন ইস্যুতে সেনাবাহিনীর নীরবতা বা কখনো কখনো বিপরীতমুখী বার্তা কেন? কেন জনগণকে প্রতিবার ব্যাখ্যার আশ্রয়ে যেতে হয়?

সরকারের নির্দেশনায় সেনাবাহিনী কাজ করছে—এটি যদি সত্য হয়, তবে করিডরের মতো স্পর্শকাতর ইস্যুতে বাহিনীর অবস্থান এত অস্পষ্ট কেন? এমন পরিস্থিতিতে “ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে” বলা কি সত্যের মুখে কালিমা দেয়া নয়?

জনগণ এখন আর মুখ বুজে সবকিছু মেনে নেয় না। প্রতিটি বক্তব্য, প্রতিটি পদক্ষেপ তারা পর্যবেক্ষণ করে। তাই “সবকিছু ঠিক আছে”—এই সস্তা আশ্বাসে বাস্তবতা ঢেকে ফেলা যাবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মতপার্থক্য নয়? জনগণের চোখে ধুলা দেওয়া কি তবে নতুন কৌশল?

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে কোনো মতবিরোধ নেই—এমন দাবিতে মুখর হয়েছে সেনা সদর। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে নাকি সেনাবাহিনীর সম্পর্ক চমৎকার! সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এমন চিত্রই তুলে ধরেছেন মিলিটারি অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম-উদ-দৌলা। অথচ বাস্তবতা কি সত্যিই এত সরল?

বিগত কিছুদিনে করিডর, কুকি-চিন, পুশইন কিংবা সেনাপ্রধানের বক্তব্য—সবকিছুতেই যে ধোঁয়াশা ও অস্বচ্ছতা সৃষ্টি হয়েছে, তা কি এই ‘চমৎকার সম্পর্ক’-এরই প্রতিফলন? জনগণ যখন প্রশ্ন তোলে, তখন এমন মসৃণ ও ঘষামাজা বক্তব্য দিয়ে সত্য গোপনের চেষ্টা কি বোকা বানানোর সামিল নয়?

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বলেন, “সরকার এবং সেনাবাহিনী খুব সুন্দরভাবে একে অপরের সহযোগিতায় কাজ করছে।” যদি তা-ই হয়, তবে বিভিন্ন ইস্যুতে সেনাবাহিনীর নীরবতা বা কখনো কখনো বিপরীতমুখী বার্তা কেন? কেন জনগণকে প্রতিবার ব্যাখ্যার আশ্রয়ে যেতে হয়?

সরকারের নির্দেশনায় সেনাবাহিনী কাজ করছে—এটি যদি সত্য হয়, তবে করিডরের মতো স্পর্শকাতর ইস্যুতে বাহিনীর অবস্থান এত অস্পষ্ট কেন? এমন পরিস্থিতিতে “ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে” বলা কি সত্যের মুখে কালিমা দেয়া নয়?

জনগণ এখন আর মুখ বুজে সবকিছু মেনে নেয় না। প্রতিটি বক্তব্য, প্রতিটি পদক্ষেপ তারা পর্যবেক্ষণ করে। তাই “সবকিছু ঠিক আছে”—এই সস্তা আশ্বাসে বাস্তবতা ঢেকে ফেলা যাবে না।