সর্বশেষ
ইউপি সদস্য ফরিদুল ইসলামের উপর হামলা গাইবান্ধায় ছাত্রলীগ নেতা অমিত গ্রেপ্তার: রাতে বাংলাবাজারে অভিযান নোয়াখালীতে ইসলামী ব্যাংক এজেন্টের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, কারখানা কর্মীকে পিটিয়ে আহত, নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ; প্রাণনাশের হুমকি ঢাকার চকবাজারে শোকের ছায়া আকরাম আহমেদ মোস্তফার ইন্তেকালে পুরো ব্যবসায়ী মহল যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা: গাইবান্ধায় আনন্দ মিছিল, তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা চট্টগ্রাম বন্দরে ৩২ লাখ টাকার পণ্য আত্মসাৎ: বন্দর থানার অভিযানে মূলহোতা গ্রেপ্তার জঙ্গলে বন্দি প্রকৌশলী, র‌্যাবের অভিযানে উদ্ধার; মুক্তিপণ চক্রের ৪ সদস্য আটক চোখের সামনে নেশার রাজ্য, তবুও নীরবতা কেন কাজিপুর উপজেলা জিয়া পরিষদের কমিটি অনুমোদন

চোখের সামনে নেশার রাজ্য, তবুও নীরবতা কেন

(স্টাফ রিপোর্টার)
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

ভোলার বুকে ভয়ংকর এক বাস্তবতার নাম এখন—চর আনন্দ পার্ট থ্রি, পূর্ব ইলিশা ইউনিয়ন। স্থানীয়দের ভাষায় এটি আর সাধারণ কোনো এলাকা নয়; বরং ধীরে ধীরে পরিচিত হয়ে উঠছে “মাদকের কারখানা” হিসেবে।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই এলাকাটি ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে মাত্র আধা কিলোমিটার দূরে। অথচ এই অতি নিকটবর্তী এলাকাতেই প্রকাশ্যে চলছে মাদক কেনাবেচা, এমনকি মাদকদ্রব্য ছোড়াছুড়ির ঘটনাও—এমন দাবি এলাকাবাসীর।
স্থানীয়দের ক্ষোভ একটাই—“মাদকের অপেক্ষায় পুলিশ বসে থাকে, অথচ মাদকই চোখের সামনে ঘুরে বেড়ায়!”
দিন-রাত চর আনন্দ পার্ট থ্রিতে মাদকসেবী ও কারবারিদের আনাগোনা এখন যেন স্বাভাবিক দৃশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পথচারীরা জানান, অনেক সময় পুলিশের অভিযান চললেও ‘কিছুই পাওয়া যায়নি’—এই অজুহাতেই শেষ হয় কার্যক্রম। এতে হতাশা আরও গভীর হচ্ছে জনমনে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, তদন্ত কেন্দ্রের এত কাছে দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় প্রশ্ন উঠছে—নজরদারি কি যথেষ্ট, নাকি ইচ্ছাশক্তির অভাব?
এদিকে অভিভাবকদের মধ্যে বাড়ছে আতঙ্ক। তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত তারা। সচেতন মহল ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দ্রুত দাবি জানিয়েছেন—
চর আনন্দ পার্ট থ্রিতে নিরবচ্ছিন্ন গোয়েন্দা নজরদারি
নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা
এবং মাদক কারবারিদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা
নইলে এই “মাদকের ছায়া” আরও গভীরভাবে গ্রাস করবে পুরো এলাকা—এমন আশঙ্কাই এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে ভোলার আকাশে-বাতাসে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চোখের সামনে নেশার রাজ্য, তবুও নীরবতা কেন

আপডেট সময় : ০১:৫৪:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

ভোলার বুকে ভয়ংকর এক বাস্তবতার নাম এখন—চর আনন্দ পার্ট থ্রি, পূর্ব ইলিশা ইউনিয়ন। স্থানীয়দের ভাষায় এটি আর সাধারণ কোনো এলাকা নয়; বরং ধীরে ধীরে পরিচিত হয়ে উঠছে “মাদকের কারখানা” হিসেবে।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই এলাকাটি ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র থেকে মাত্র আধা কিলোমিটার দূরে। অথচ এই অতি নিকটবর্তী এলাকাতেই প্রকাশ্যে চলছে মাদক কেনাবেচা, এমনকি মাদকদ্রব্য ছোড়াছুড়ির ঘটনাও—এমন দাবি এলাকাবাসীর।
স্থানীয়দের ক্ষোভ একটাই—“মাদকের অপেক্ষায় পুলিশ বসে থাকে, অথচ মাদকই চোখের সামনে ঘুরে বেড়ায়!”
দিন-রাত চর আনন্দ পার্ট থ্রিতে মাদকসেবী ও কারবারিদের আনাগোনা এখন যেন স্বাভাবিক দৃশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পথচারীরা জানান, অনেক সময় পুলিশের অভিযান চললেও ‘কিছুই পাওয়া যায়নি’—এই অজুহাতেই শেষ হয় কার্যক্রম। এতে হতাশা আরও গভীর হচ্ছে জনমনে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়, তদন্ত কেন্দ্রের এত কাছে দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় প্রশ্ন উঠছে—নজরদারি কি যথেষ্ট, নাকি ইচ্ছাশক্তির অভাব?
এদিকে অভিভাবকদের মধ্যে বাড়ছে আতঙ্ক। তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত তারা। সচেতন মহল ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা দ্রুত দাবি জানিয়েছেন—
চর আনন্দ পার্ট থ্রিতে নিরবচ্ছিন্ন গোয়েন্দা নজরদারি
নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা
এবং মাদক কারবারিদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা
নইলে এই “মাদকের ছায়া” আরও গভীরভাবে গ্রাস করবে পুরো এলাকা—এমন আশঙ্কাই এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে ভোলার আকাশে-বাতাসে।