সর্বশেষ
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যু, ইরানে ৪০ দিনের গণশোক ঘোষণাআন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রতিবাদী কণ্ঠ’র ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জসীমউদ্দীনের পা ভেঙেছে, সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা মানবিক সংগঠন ‘প্রতিবাদী কণ্ঠ’-এর আজীবন সদস্য তাজুল গুরুতর অসুস্থ, দোয়ার আহ্বান রাজধানীর বকশীবাজারে ‘প্রতিবাদী কণ্ঠ’-এর ইফতার সামগ্রী বিতরণ, শতাধিক অসহায় মানুষের মুখে হাসিনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | কামরুল ইসলাম শুভ’র জন্মদিন – কেক কাটা সম্পন্ন, বিয়ে এখনো ‘লোডিং…’! সুন্দরবনে দস্যু দমনে জিরো টলারেন্স, নিরাপত্তা জোরদারে সমন্বিত অভিযান: প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম সৌদি প্রবাসী মোঃ সুজন ঢালী প্রতিবাদী কন্ঠের আজীবন সদস্য — মানবিক কর্মকাণ্ডে পাশে থাকার অঙ্গীকার মাদক বিরোধের জেরে রক্তাক্ত প্রতিশোধ: চরফ্যাশনে কুপিয়ে হত্যা রহিম ভূট্টু বেনাপোলের মানবাধিকার নেতা মিজানুর রহমান গুরুতর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত, ঢাকায় চিকিৎসাধীন ঢাকা চকবাজারের ব্যবসায়ী, প্রতিবাদী কণ্ঠ-এর সম্মানিত অনুদানদাতা ও আজীবন সদস্য সুমনের পিতার ইন্তেকাল

ধোঁয়া ও ধুলার মধ্যেই পথ খুঁজে ফিরছে ফিলিস্তিনিরা: ইসরায়েলি হামলায় বিপর্যস্ত গাজা ও পশ্চিম তীর

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৪:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫ ৯৭ বার পড়া হয়েছে

ইসরায়েলি বোমা হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাজার উত্তরাঞ্চলের আবাসিক এলাকাগুলো আজ যেন এক মৃত্যুপুরী। আকাশে ছড়িয়ে পড়া কালো ধোঁয়া ও ধুলার মাঝে ফিলিস্তিনিরা কোনোমতে বেঁচে থাকার পথ খুঁজছে। শনিবার (২৪ মে) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে উঠে আসে এই ভয়াবহ বাস্তবতার চিত্র।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের ১৯ মাসে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৫৩ হাজার ৮২২ জন ফিলিস্তিনি। প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে হতাহতের সংখ্যা।

অধিকৃত পশ্চিম তীরেও মানবিক বিপর্যয় চরমে। জাতিসংঘের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ৯৩৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছে অন্তত ১৯৮ জন শিশু। এদের অধিকাংশই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন।

২০২৫ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত শুধু পশ্চিম তীরেই নিহত হয়েছেন ১৩২ জন ফিলিস্তিনি, যাদের মধ্যে ২৫ জনেরও বেশি শিশু রয়েছে। এই নিষ্ঠুরতার শেষ কোথায়, সেই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বিশ্বজুড়ে মানবাধিকারকর্মীদের মনে।

গাজা সিটির এক আবাসিক এলাকায় ইসরায়েলি হামলার পর কালো ধোঁয়া আর ধুলার ভেতর দিয়ে হেঁটে ফিরছেন এক ফিলিস্তিনি নারী—এই দৃশ্য যেন যুদ্ধবিধ্বস্ত জীবনের প্রতিচ্ছবি।

শুধু প্রাণহানি নয়, বাস্তুচ্যুতিও এ যুদ্ধে আরেক বড় দুর্ভোগের নাম। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পশ্চিম তীরের নূর শামস, তুলকারেম ও জেনিন শরণার্থী শিবিরে পরিচালিত সামরিক অভিযানে প্রায় ৪২ হাজার ফিলিস্তিনি বাসিন্দা গৃহহীন হয়ে পড়েন। তাদের অনেকেই এখনো নিজ ঘরে ফিরতে পারেননি।

ইসরায়েলের ধারাবাহিক ও নির্মম সামরিক অভিযানে গাজার পাশাপাশি পশ্চিম তীরেও ফিলিস্তিনিদের জীবনযাত্রা দিনে দিনে আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কড়া সমালোচনার পরও ইসরায়েলের নীতিতে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি—এমনটাই জানাচ্ছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

ছবি: আল জাজিরা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধোঁয়া ও ধুলার মধ্যেই পথ খুঁজে ফিরছে ফিলিস্তিনিরা: ইসরায়েলি হামলায় বিপর্যস্ত গাজা ও পশ্চিম তীর

আপডেট সময় : ০৮:৫৪:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

ইসরায়েলি বোমা হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাজার উত্তরাঞ্চলের আবাসিক এলাকাগুলো আজ যেন এক মৃত্যুপুরী। আকাশে ছড়িয়ে পড়া কালো ধোঁয়া ও ধুলার মাঝে ফিলিস্তিনিরা কোনোমতে বেঁচে থাকার পথ খুঁজছে। শনিবার (২৪ মে) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে উঠে আসে এই ভয়াবহ বাস্তবতার চিত্র।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের ১৯ মাসে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৫৩ হাজার ৮২২ জন ফিলিস্তিনি। প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে হতাহতের সংখ্যা।

অধিকৃত পশ্চিম তীরেও মানবিক বিপর্যয় চরমে। জাতিসংঘের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ৯৩৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছে অন্তত ১৯৮ জন শিশু। এদের অধিকাংশই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন।

২০২৫ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত শুধু পশ্চিম তীরেই নিহত হয়েছেন ১৩২ জন ফিলিস্তিনি, যাদের মধ্যে ২৫ জনেরও বেশি শিশু রয়েছে। এই নিষ্ঠুরতার শেষ কোথায়, সেই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বিশ্বজুড়ে মানবাধিকারকর্মীদের মনে।

গাজা সিটির এক আবাসিক এলাকায় ইসরায়েলি হামলার পর কালো ধোঁয়া আর ধুলার ভেতর দিয়ে হেঁটে ফিরছেন এক ফিলিস্তিনি নারী—এই দৃশ্য যেন যুদ্ধবিধ্বস্ত জীবনের প্রতিচ্ছবি।

শুধু প্রাণহানি নয়, বাস্তুচ্যুতিও এ যুদ্ধে আরেক বড় দুর্ভোগের নাম। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পশ্চিম তীরের নূর শামস, তুলকারেম ও জেনিন শরণার্থী শিবিরে পরিচালিত সামরিক অভিযানে প্রায় ৪২ হাজার ফিলিস্তিনি বাসিন্দা গৃহহীন হয়ে পড়েন। তাদের অনেকেই এখনো নিজ ঘরে ফিরতে পারেননি।

ইসরায়েলের ধারাবাহিক ও নির্মম সামরিক অভিযানে গাজার পাশাপাশি পশ্চিম তীরেও ফিলিস্তিনিদের জীবনযাত্রা দিনে দিনে আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কড়া সমালোচনার পরও ইসরায়েলের নীতিতে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি—এমনটাই জানাচ্ছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

ছবি: আল জাজিরা