সর্বশেষ
চারঘাটে ৬০ গ্রাম হেরোইনসহ ২ জন গ্রেফতার গফরগাঁওয়ে বাংলাদেশ ছাত্র শিবির কর্তৃক কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শার্শায় প্রস্তুতিমূলক সভা, ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা ঢাকা চকবাজারের বিশিষ্ট খেলনা ব্যবসায়ী পিন্টু আহমেদের পিত্তস্থলীতে পাথর অপারেশন আজ, সবার কাছে দোয়া কামনা কাচপুরের হাজী গরিবুল্লাহ রেস্তোরাঁয় খাবারের মান নিয়ে সাংবাদিকদের অসন্তোষ জমি নিয়ে বিরোধ: এক পক্ষকে কোপানোর পর অন্য পক্ষের বাড়িঘরে লুট নালিতাবাড়ীতে যুবককে অটোতে তুলে নিয়ে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ‘রিপোর্টার্স প্রেসক্লাব গাইবান্ধা’র আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জাতীয় সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দ কাজিপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিপদসংকুল আচরণের অভিযোগ

‘বাবাকে কি আর কোনোদিন জড়িয়ে ধরতে পারব না?’—মেয়ের কান্নায় বিহ্বল জনগণ

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ০৫:৪১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫ ১৭২ বার পড়া হয়েছে

বংশাল থানা ছাত্রদলের নেতা পারভেজ হোসেন ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে গুম হন। দীর্ঘ ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও তার কোনো খোঁজ মেলেনি। সেই পারভেজ হোসেনের কিশোরী কন্যা আদিবা ইসলাম হৃদি মঙ্গলবার (১ জুলাই) যখন আবেগভরা কণ্ঠে প্রশ্ন করলেন—“আমি আর আমার ভাই বাবাকে কি আর কোনোদিন জড়িয়ে ধরতে পারব না?”—তখন স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো সম্মেলন কেন্দ্র। ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শহীদ পরিবারদের সম্মানে আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় এ হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়।

আদিবা হৃদির আবেগঘন বক্তব্য চলাকালীন জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখা যায়—তারেক রহমান বারবার চশমার আড়াল দিয়ে চোখ মুছছেন। তিনি সরাসরি কিছু করতে না পারলেও চোখের অশ্রু দিয়ে যেন ভাগ করে নিচ্ছিলেন হারানো বাবার জন্য মেয়ের কষ্ট।

অনুষ্ঠানে শুধু হৃদি নয়, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত নির্যাতিত পরিবারগুলোর সদস্যরাও তাদের যন্ত্রণার কথা তুলে ধরেন। কেউ বললেন সন্তান হারানোর বেদনার কথা, কেউ জানালেন আর্থিক অনিশ্চয়তা আর ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তার গল্প।

জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ চট্টগ্রামের ওয়াসিম আকরামের বাবা শুধু নিজের সন্তানের বেদনা নয়, তুলে ধরেন অন্য শহীদ পরিবারের দীর্ঘশ্বাসও। তিনি রাষ্ট্রের কাছে দাবি জানান—নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হোক এবং শহীদ পরিবারের প্রতি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করা হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

‘বাবাকে কি আর কোনোদিন জড়িয়ে ধরতে পারব না?’—মেয়ের কান্নায় বিহ্বল জনগণ

আপডেট সময় : ০৫:৪১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

বংশাল থানা ছাত্রদলের নেতা পারভেজ হোসেন ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে গুম হন। দীর্ঘ ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও তার কোনো খোঁজ মেলেনি। সেই পারভেজ হোসেনের কিশোরী কন্যা আদিবা ইসলাম হৃদি মঙ্গলবার (১ জুলাই) যখন আবেগভরা কণ্ঠে প্রশ্ন করলেন—“আমি আর আমার ভাই বাবাকে কি আর কোনোদিন জড়িয়ে ধরতে পারব না?”—তখন স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো সম্মেলন কেন্দ্র। ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শহীদ পরিবারদের সম্মানে আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় এ হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়।

আদিবা হৃদির আবেগঘন বক্তব্য চলাকালীন জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখা যায়—তারেক রহমান বারবার চশমার আড়াল দিয়ে চোখ মুছছেন। তিনি সরাসরি কিছু করতে না পারলেও চোখের অশ্রু দিয়ে যেন ভাগ করে নিচ্ছিলেন হারানো বাবার জন্য মেয়ের কষ্ট।

অনুষ্ঠানে শুধু হৃদি নয়, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত নির্যাতিত পরিবারগুলোর সদস্যরাও তাদের যন্ত্রণার কথা তুলে ধরেন। কেউ বললেন সন্তান হারানোর বেদনার কথা, কেউ জানালেন আর্থিক অনিশ্চয়তা আর ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তার গল্প।

জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ চট্টগ্রামের ওয়াসিম আকরামের বাবা শুধু নিজের সন্তানের বেদনা নয়, তুলে ধরেন অন্য শহীদ পরিবারের দীর্ঘশ্বাসও। তিনি রাষ্ট্রের কাছে দাবি জানান—নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হোক এবং শহীদ পরিবারের প্রতি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করা হোক।