সর্বশেষ
ভোলার চরফ্যাশনে ধরাছোঁয়ার বাইরে ‘মাদক সম্রাট’ নয়ন: রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬ এর প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীতে দুর্গোৎসব উপলক্ষে উপহার বিতরণ নালিতাবাড়ী পৌর জামায়াতের ৭ নং ওয়ার্ডের সভাপতি জিহান নোয়াখালীতে প্রতিবন্ধী যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় রহস্য উর্দঘাটন গ্রেপ্তার ৪ ফুলপুরে ভাইটকান্দি সাদিকা ট্রেডার্সের সংবাদ সম্মেলন: এআই দিয়ে ছবি বিকৃত করে অপপ্রচারের প্রতিবাদ। কুষ্টিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজা ও টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার-১০ জুড়ীতে গর্ভবতী মা ও নবজাতক শিশু কার্যক্রমের উদ্বোধন বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ শেরপুর জেলাজুড়ে নানা আয়োজনে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

‘বাবাকে কি আর কোনোদিন জড়িয়ে ধরতে পারব না?’—মেয়ের কান্নায় বিহ্বল জনগণ

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ০৫:৪১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫ ১৭৯ বার পড়া হয়েছে

বংশাল থানা ছাত্রদলের নেতা পারভেজ হোসেন ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে গুম হন। দীর্ঘ ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও তার কোনো খোঁজ মেলেনি। সেই পারভেজ হোসেনের কিশোরী কন্যা আদিবা ইসলাম হৃদি মঙ্গলবার (১ জুলাই) যখন আবেগভরা কণ্ঠে প্রশ্ন করলেন—“আমি আর আমার ভাই বাবাকে কি আর কোনোদিন জড়িয়ে ধরতে পারব না?”—তখন স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো সম্মেলন কেন্দ্র। ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শহীদ পরিবারদের সম্মানে আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় এ হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়।

আদিবা হৃদির আবেগঘন বক্তব্য চলাকালীন জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখা যায়—তারেক রহমান বারবার চশমার আড়াল দিয়ে চোখ মুছছেন। তিনি সরাসরি কিছু করতে না পারলেও চোখের অশ্রু দিয়ে যেন ভাগ করে নিচ্ছিলেন হারানো বাবার জন্য মেয়ের কষ্ট।

অনুষ্ঠানে শুধু হৃদি নয়, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত নির্যাতিত পরিবারগুলোর সদস্যরাও তাদের যন্ত্রণার কথা তুলে ধরেন। কেউ বললেন সন্তান হারানোর বেদনার কথা, কেউ জানালেন আর্থিক অনিশ্চয়তা আর ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তার গল্প।

জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ চট্টগ্রামের ওয়াসিম আকরামের বাবা শুধু নিজের সন্তানের বেদনা নয়, তুলে ধরেন অন্য শহীদ পরিবারের দীর্ঘশ্বাসও। তিনি রাষ্ট্রের কাছে দাবি জানান—নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হোক এবং শহীদ পরিবারের প্রতি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করা হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

‘বাবাকে কি আর কোনোদিন জড়িয়ে ধরতে পারব না?’—মেয়ের কান্নায় বিহ্বল জনগণ

আপডেট সময় : ০৫:৪১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

বংশাল থানা ছাত্রদলের নেতা পারভেজ হোসেন ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে গুম হন। দীর্ঘ ১১ বছর পেরিয়ে গেলেও তার কোনো খোঁজ মেলেনি। সেই পারভেজ হোসেনের কিশোরী কন্যা আদিবা ইসলাম হৃদি মঙ্গলবার (১ জুলাই) যখন আবেগভরা কণ্ঠে প্রশ্ন করলেন—“আমি আর আমার ভাই বাবাকে কি আর কোনোদিন জড়িয়ে ধরতে পারব না?”—তখন স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো সম্মেলন কেন্দ্র। ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শহীদ পরিবারদের সম্মানে আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় এ হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়।

আদিবা হৃদির আবেগঘন বক্তব্য চলাকালীন জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখা যায়—তারেক রহমান বারবার চশমার আড়াল দিয়ে চোখ মুছছেন। তিনি সরাসরি কিছু করতে না পারলেও চোখের অশ্রু দিয়ে যেন ভাগ করে নিচ্ছিলেন হারানো বাবার জন্য মেয়ের কষ্ট।

অনুষ্ঠানে শুধু হৃদি নয়, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত নির্যাতিত পরিবারগুলোর সদস্যরাও তাদের যন্ত্রণার কথা তুলে ধরেন। কেউ বললেন সন্তান হারানোর বেদনার কথা, কেউ জানালেন আর্থিক অনিশ্চয়তা আর ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তার গল্প।

জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ চট্টগ্রামের ওয়াসিম আকরামের বাবা শুধু নিজের সন্তানের বেদনা নয়, তুলে ধরেন অন্য শহীদ পরিবারের দীর্ঘশ্বাসও। তিনি রাষ্ট্রের কাছে দাবি জানান—নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হোক এবং শহীদ পরিবারের প্রতি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করা হোক।