সর্বশেষ
নিখোঁজ সংবাদ: গৃহকর্মীর সন্ধান চেয়ে থানায় অভিযোগ। ওষুধের দোকানের কর্মচারী থেকে বিতর্কিত আলোচনায় জামাল উদ্দিন — সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়। হামে ৩৫০ শিশুর মৃত্যু: উদ্বেগ, শোক ও সরকারের জরুরি পদক্ষেপ “যুব সমাজকে রাজনীতির নামে লুটপাট শেখানো হয়েছে” — সমাজকর্মী আব্দুর রহিম বাচ্চুর মন্তব্যে আলোচনা বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী সদস্য ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে জি-আর চাল বিতরণ অশালীন পোশাক ও সংস্কৃতির অবক্ষয় নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া। নোয়াখালী-কুমিল্লা মহাসড়কের লাকসাম-বাগমারা অংশ চারলেনে উন্নীতকরণের দাবি। গোপালগঞ্জের ওসিকে লেখা সেই চিরকুটে কী ছিল? গাজীপুরের ৫ খুনের নেপথ্যে বেরিয়ে এলো ভয়ংকর তথ্য ভোলার চরফ্যাশনে অভিযোগ প্রমাণের আগেই বৃদ্ধকে জুতা-ঝাড়ুর মালা বিশ্ব মা দিবস: মায়ের ভালোবাসার ঋণ কখনো শোধ হবার নয়,

“যুব সমাজকে রাজনীতির নামে লুটপাট শেখানো হয়েছে” — সমাজকর্মী আব্দুর রহিম বাচ্চুর মন্তব্যে আলোচনা

মোহাম্মদ আজিম মিঞা
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৬:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সমাজকর্মী আব্দুর রহিম বাচ্চু। সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি অভিযোগ করেন, রাজনীতির নামে দেশের যুব ও ছাত্র সমাজকে আদর্শ নয়, বরং সহিংসতা ও লুটপাটের সংস্কৃতির দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
তার স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন,
“যুব সমাজ, ছাত্র সমাজের মধ্যে রাজনীতি লুটপাট করা শিখিয়েছে! যারা নেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখেছে, তাদের লাঠিয়াল বানানো হয়েছে।”
তার এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে মন্তব্য করেছেন, দেশের রাজনীতিতে আদর্শিক চর্চা ও মানবিক মূল্যবোধের চেয়ে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, প্রভাব বিস্তার ও সহিংসতার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ছাত্র ও যুবসমাজ একটি দেশের ভবিষ্যৎ শক্তি। অথচ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক বলয়ের প্রভাবে একাংশের মধ্যে সহনশীলতা, নৈতিকতা ও নেতৃত্বের পরিবর্তে সংঘর্ষ ও আধিপত্যের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। এতে সমাজে ইতিবাচক নেতৃত্বের সংকট তৈরি হচ্ছে বলেও মনে করছেন অনেকে।
আবার অন্য একটি পক্ষ মনে করছে, সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে নেতিবাচকভাবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ রাজনীতি দেশের গণতন্ত্র, অধিকার আদায় ও সামাজিক পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তবে তারা স্বীকার করেন, কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক অপব্যবহার তরুণ সমাজকে ভুল পথে পরিচালিত করছে।
সমাজকর্মী আব্দুর রহিম বাচ্চুর এই বক্তব্য নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে— দেশের ছাত্র ও যুবরাজনীতি কি আদর্শিক নেতৃত্ব তৈরির পথে এগোচ্ছে, নাকি সহিংস ও প্রভাবনির্ভর সংস্কৃতির দিকে ধাবিত হচ্ছে?
বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও মতবিনিময় শুরু হয়েছে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

“যুব সমাজকে রাজনীতির নামে লুটপাট শেখানো হয়েছে” — সমাজকর্মী আব্দুর রহিম বাচ্চুর মন্তব্যে আলোচনা

আপডেট সময় : ০৩:৩৬:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সমাজকর্মী আব্দুর রহিম বাচ্চু। সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি অভিযোগ করেন, রাজনীতির নামে দেশের যুব ও ছাত্র সমাজকে আদর্শ নয়, বরং সহিংসতা ও লুটপাটের সংস্কৃতির দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
তার স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন,
“যুব সমাজ, ছাত্র সমাজের মধ্যে রাজনীতি লুটপাট করা শিখিয়েছে! যারা নেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখেছে, তাদের লাঠিয়াল বানানো হয়েছে।”
তার এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে মন্তব্য করেছেন, দেশের রাজনীতিতে আদর্শিক চর্চা ও মানবিক মূল্যবোধের চেয়ে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, প্রভাব বিস্তার ও সহিংসতার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ছাত্র ও যুবসমাজ একটি দেশের ভবিষ্যৎ শক্তি। অথচ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক বলয়ের প্রভাবে একাংশের মধ্যে সহনশীলতা, নৈতিকতা ও নেতৃত্বের পরিবর্তে সংঘর্ষ ও আধিপত্যের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। এতে সমাজে ইতিবাচক নেতৃত্বের সংকট তৈরি হচ্ছে বলেও মনে করছেন অনেকে।
আবার অন্য একটি পক্ষ মনে করছে, সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে নেতিবাচকভাবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ রাজনীতি দেশের গণতন্ত্র, অধিকার আদায় ও সামাজিক পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তবে তারা স্বীকার করেন, কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক অপব্যবহার তরুণ সমাজকে ভুল পথে পরিচালিত করছে।
সমাজকর্মী আব্দুর রহিম বাচ্চুর এই বক্তব্য নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে— দেশের ছাত্র ও যুবরাজনীতি কি আদর্শিক নেতৃত্ব তৈরির পথে এগোচ্ছে, নাকি সহিংস ও প্রভাবনির্ভর সংস্কৃতির দিকে ধাবিত হচ্ছে?
বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও মতবিনিময় শুরু হয়েছে