সর্বশেষ
লালমনিরহাট সীমান্তে নারী-শিশুসহ ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা। জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালু হলো আল্ট্রাসনোগ্রাফি সেবা শেরপুরের সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৯২ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করেন, জুড়ীতে কৃষকদের মাঝে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর আগমনে রাজশাহীর উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হবে: রাসিক প্রশাসক রাজশাহী নগরীতে মাদক কারবারি সহ গ্রেপ্তার ১৬ নালিতাবাড়ীতে ৫০ শতাংশ ছাড়ের নামে প্রতারণার অভিযোগ, তদন্তের দাবি ক্রেতাদের নালিতাবাড়ীতে কৃষক প্রশিক্ষণে তিন ফসল উৎপাদনে গুরুত্বারোপ ময়মনসিংহে বাউল সম্রাট ফকির লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবস উপলক্ষে স্মরণসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহে বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় তাফসীর প্রতিযোগিতা,সনদ, ক্রেস্ট, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

নালিতাবাড়ীতে ৫০ শতাংশ ছাড়ের নামে প্রতারণার অভিযোগ, তদন্তের দাবি ক্রেতাদের

মনজুরুল হক, নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি।
  • আপডেট সময় : ০৭:২২:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় জুতার দোকানে ৫০ শতাংশ ছাড়ের বিজ্ঞাপন দিয়ে পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ‘মাইমুন সুজ’সহ স্থানীয় কয়েকটি জুতার দোকানের মূল্য নির্ধারণ, ছাড়ের হিসাব ও বিক্রয়প্রক্রিয়া তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা। নালিতাবাড়ীর মাইমুন সুজ জুতার দোকানের সামনে ‘৫০% ডিসকাউন্ট’ লেখা বিজ্ঞাপন দেখা যায়। পাশাপাশি অন্য বেশ কিছু জুতার দোকানের সাইনবোর্ডেও ৫০ শতাংশ ছাড়ের প্রচারণা রয়েছে। এসব বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করা হলেও প্রকৃতপক্ষে পণ্যের মূল্যের ওপর কতটুকু ছাড় দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। ক্রেতাদের অভিযোগ, ছাড়ের প্রচারণা দেখে জুতা ও স্যান্ডেল কিনতে আগ্রহী হন অনেকে। কিন্তু পণ্যের আগের মূল্য, ঘোষিত ছাড় এবং ছাড়ের পর চূড়ান্ত বিক্রয়মূল্যের মধ্যে কোনো অসংগতি রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। তাঁদের দাবি, ছাড়ের নামে অতিরিক্ত মূল্য আদায় বা বিভ্রান্তিকর প্রচারণা করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হোক। ভোক্তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, কোনো পণ্যে মূল্যছাড়ের বিজ্ঞাপন দিলে তার প্রকৃত মূল্য ও ছাড়ের হিসাব স্বচ্ছ থাকা জরুরি। এ ক্ষেত্রে পণ্যের মূল্যতালিকা, বিক্রয় রসিদ এবং প্রচারণায় উল্লেখ করা ছাড়ের হার যাচাই করা হলে প্রকৃত চিত্র উঠে আসতে পারে। এ পরিস্থিতিতে ‘মাইমুন সুজ’সহ সংশ্লিষ্ট জুতার দোকানগুলোর মূল্যতালিকা, ছাড়ের বিজ্ঞাপন ও বিক্রয় রসিদ পরীক্ষা করে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিযোগকারীরা। তদন্তে কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দোকানমালিকদের বক্তব্য এবং অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা নথি বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে ৫০ শতাংশ ছাড়ের প্রচারণায় প্রকৃতপক্ষে কোনো অনিয়ম বা প্রতারণা হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। ক্রেতাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করবে এবং বাজারে স্বচ্ছ মূল্যব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নালিতাবাড়ীতে ৫০ শতাংশ ছাড়ের নামে প্রতারণার অভিযোগ, তদন্তের দাবি ক্রেতাদের

আপডেট সময় : ০৭:২২:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় জুতার দোকানে ৫০ শতাংশ ছাড়ের বিজ্ঞাপন দিয়ে পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ‘মাইমুন সুজ’সহ স্থানীয় কয়েকটি জুতার দোকানের মূল্য নির্ধারণ, ছাড়ের হিসাব ও বিক্রয়প্রক্রিয়া তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা। নালিতাবাড়ীর মাইমুন সুজ জুতার দোকানের সামনে ‘৫০% ডিসকাউন্ট’ লেখা বিজ্ঞাপন দেখা যায়। পাশাপাশি অন্য বেশ কিছু জুতার দোকানের সাইনবোর্ডেও ৫০ শতাংশ ছাড়ের প্রচারণা রয়েছে। এসব বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করা হলেও প্রকৃতপক্ষে পণ্যের মূল্যের ওপর কতটুকু ছাড় দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। ক্রেতাদের অভিযোগ, ছাড়ের প্রচারণা দেখে জুতা ও স্যান্ডেল কিনতে আগ্রহী হন অনেকে। কিন্তু পণ্যের আগের মূল্য, ঘোষিত ছাড় এবং ছাড়ের পর চূড়ান্ত বিক্রয়মূল্যের মধ্যে কোনো অসংগতি রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। তাঁদের দাবি, ছাড়ের নামে অতিরিক্ত মূল্য আদায় বা বিভ্রান্তিকর প্রচারণা করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হোক। ভোক্তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, কোনো পণ্যে মূল্যছাড়ের বিজ্ঞাপন দিলে তার প্রকৃত মূল্য ও ছাড়ের হিসাব স্বচ্ছ থাকা জরুরি। এ ক্ষেত্রে পণ্যের মূল্যতালিকা, বিক্রয় রসিদ এবং প্রচারণায় উল্লেখ করা ছাড়ের হার যাচাই করা হলে প্রকৃত চিত্র উঠে আসতে পারে। এ পরিস্থিতিতে ‘মাইমুন সুজ’সহ সংশ্লিষ্ট জুতার দোকানগুলোর মূল্যতালিকা, ছাড়ের বিজ্ঞাপন ও বিক্রয় রসিদ পরীক্ষা করে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিযোগকারীরা। তদন্তে কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দোকানমালিকদের বক্তব্য এবং অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা নথি বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে ৫০ শতাংশ ছাড়ের প্রচারণায় প্রকৃতপক্ষে কোনো অনিয়ম বা প্রতারণা হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। ক্রেতাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করবে এবং বাজারে স্বচ্ছ মূল্যব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।