সর্বশেষ
ভোলার চরফ্যাশনে ধরাছোঁয়ার বাইরে ‘মাদক সম্রাট’ নয়ন: রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬ এর প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীতে দুর্গোৎসব উপলক্ষে উপহার বিতরণ নালিতাবাড়ী পৌর জামায়াতের ৭ নং ওয়ার্ডের সভাপতি জিহান নোয়াখালীতে প্রতিবন্ধী যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় রহস্য উর্দঘাটন গ্রেপ্তার ৪ ফুলপুরে ভাইটকান্দি সাদিকা ট্রেডার্সের সংবাদ সম্মেলন: এআই দিয়ে ছবি বিকৃত করে অপপ্রচারের প্রতিবাদ। কুষ্টিয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজা ও টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার-১০ জুড়ীতে গর্ভবতী মা ও নবজাতক শিশু কার্যক্রমের উদ্বোধন বড়লেখা সরকারি ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ শেরপুর জেলাজুড়ে নানা আয়োজনে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

টেকনাফের পাহাড়ে র‌্যাব-বিজিবির যৌথ অভিযান: অস্ত্র, গুলি ও গ্রেনেড উদ্ধার

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৬:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫ ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা রঙ্গিখালী এলাকার গহিন পাহাড়ে ডাকাত দলের আস্তানায় র‌্যাব ও বিজিবির যৌথ অভিযানে দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, গ্রেনেড ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত চার ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযান পরিচালিত হয়।

বুধবার (৩০ জুলাই) অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

অভিযান ও উদ্ধারকৃত অস্ত্র

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, টেকনাফের হ্নীলা রঙ্গিখালী গলাচিরা পাহাড়ে চারজনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল অস্থায়ীভাবে অবস্থান করছে। মঙ্গলবার বিজিবি ও র‌্যাবের দুটি বিশেষ টহল দল পাহাড়টি ঘিরে ফেলে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা দূর থেকে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে অভিযান পরিচালনা করে যৌথ বাহিনী তাদের ফেলে যাওয়া আস্তানা থেকে নিচের অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করে:

১টি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র (UGI)

২টি একনলা গাদা বন্দুক (লং ব্যারেল)

৪টি আর্জেস হ্যান্ড গ্রেনেড (ফিউজসহ সম্পূর্ণ)

১০ রাউন্ড তাজা গুলি

ডাকাত দলের অপরাধের ইতিহাস

লে. কর্নেল জসীম উদ্দিন জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সশস্ত্র দলটি মাদক চোরাচালান, অপহরণ, গুম, চাঁদাবাজি ও খুনসহ বিভিন্ন অপরাধে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ছিল।

তিনি বলেন, “যৌথ অভিযানের ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

পরবর্তী ব্যবস্থা

উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গুলি ও গ্রেনেড টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে। বিশেষজ্ঞ দলের মাধ্যমে গ্রেনেডগুলো ধ্বংস করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

টেকনাফের পাহাড়ে র‌্যাব-বিজিবির যৌথ অভিযান: অস্ত্র, গুলি ও গ্রেনেড উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৬:৩৬:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা রঙ্গিখালী এলাকার গহিন পাহাড়ে ডাকাত দলের আস্তানায় র‌্যাব ও বিজিবির যৌথ অভিযানে দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, গ্রেনেড ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত চার ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযান পরিচালিত হয়।

বুধবার (৩০ জুলাই) অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

অভিযান ও উদ্ধারকৃত অস্ত্র

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, টেকনাফের হ্নীলা রঙ্গিখালী গলাচিরা পাহাড়ে চারজনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল অস্থায়ীভাবে অবস্থান করছে। মঙ্গলবার বিজিবি ও র‌্যাবের দুটি বিশেষ টহল দল পাহাড়টি ঘিরে ফেলে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা দূর থেকে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে অভিযান পরিচালনা করে যৌথ বাহিনী তাদের ফেলে যাওয়া আস্তানা থেকে নিচের অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করে:

১টি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র (UGI)

২টি একনলা গাদা বন্দুক (লং ব্যারেল)

৪টি আর্জেস হ্যান্ড গ্রেনেড (ফিউজসহ সম্পূর্ণ)

১০ রাউন্ড তাজা গুলি

ডাকাত দলের অপরাধের ইতিহাস

লে. কর্নেল জসীম উদ্দিন জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সশস্ত্র দলটি মাদক চোরাচালান, অপহরণ, গুম, চাঁদাবাজি ও খুনসহ বিভিন্ন অপরাধে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ছিল।

তিনি বলেন, “যৌথ অভিযানের ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

পরবর্তী ব্যবস্থা

উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গুলি ও গ্রেনেড টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে। বিশেষজ্ঞ দলের মাধ্যমে গ্রেনেডগুলো ধ্বংস করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।