সর্বশেষ
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যু, ইরানে ৪০ দিনের গণশোক ঘোষণাআন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রতিবাদী কণ্ঠ’র ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জসীমউদ্দীনের পা ভেঙেছে, সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা মানবিক সংগঠন ‘প্রতিবাদী কণ্ঠ’-এর আজীবন সদস্য তাজুল গুরুতর অসুস্থ, দোয়ার আহ্বান রাজধানীর বকশীবাজারে ‘প্রতিবাদী কণ্ঠ’-এর ইফতার সামগ্রী বিতরণ, শতাধিক অসহায় মানুষের মুখে হাসিনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | কামরুল ইসলাম শুভ’র জন্মদিন – কেক কাটা সম্পন্ন, বিয়ে এখনো ‘লোডিং…’! সুন্দরবনে দস্যু দমনে জিরো টলারেন্স, নিরাপত্তা জোরদারে সমন্বিত অভিযান: প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম সৌদি প্রবাসী মোঃ সুজন ঢালী প্রতিবাদী কন্ঠের আজীবন সদস্য — মানবিক কর্মকাণ্ডে পাশে থাকার অঙ্গীকার মাদক বিরোধের জেরে রক্তাক্ত প্রতিশোধ: চরফ্যাশনে কুপিয়ে হত্যা রহিম ভূট্টু বেনাপোলের মানবাধিকার নেতা মিজানুর রহমান গুরুতর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত, ঢাকায় চিকিৎসাধীন ঢাকা চকবাজারের ব্যবসায়ী, প্রতিবাদী কণ্ঠ-এর সম্মানিত অনুদানদাতা ও আজীবন সদস্য সুমনের পিতার ইন্তেকাল

চীনে ভয়াবহ বন্যায় ৬ জনের মৃত্যু, বাস্তুচ্যুত প্রায় ৮১ হাজার মানুষ

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ০১:২৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫ ৫৩ বার পড়া হয়েছে


চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে টানা ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এছাড়া দেশটির অনেক নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, এবং ব্যাহত হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, গুইঝো প্রদেশের রংজিয়াং কাউন্টিতে মঙ্গলবার (২৪ জুন) থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে বন্যার সৃষ্টি হয়। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকাল ১১টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ হাজার ৯০০ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বন্যা নিয়ন্ত্রণ দফতরের তথ্যমতে, অনেক এলাকা এখনও পানির নিচে রয়েছে। যান চলাচলে বিঘ্ন দেখা দিয়েছে এবং কিছু মানুষ এখনও আটকে পড়েছেন। শহরের বিভিন্ন স্থানে অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চীনা সরকার ইতোমধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ছয়টি প্রদেশে এই বছরের প্রথম ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে—যা দেশটির চার-স্তরের সতর্কতা ব্যবস্থার সর্বোচ্চ পর্যায়। এসব অঞ্চলের মধ্যে গুইঝো, গুয়াংশি, চংকিং, ইউনান ও সিচুয়ান প্রদেশ অন্তর্ভুক্ত। বর্তমানে এসব এলাকায় ভূমিধস ও জলবিদ্যুৎ বাঁধ উপচে পড়ার ঝুঁকিতে উচ্চ সতর্কতা অব্যাহত রয়েছে।

বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে উদ্ধার কার্যক্রম চলমান থাকলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এমন দুর্যোগ আরও ঘন ঘন ও তীব্র আকার ধারণ করছে। পুরোনো ও দুর্বল বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাগুলো এই সংকট মোকাবিলায় অকার্যকর হয়ে পড়ছে। ফলে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে এবং চীনকে কোটি কোটি ডলারের আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চীনে ভয়াবহ বন্যায় ৬ জনের মৃত্যু, বাস্তুচ্যুত প্রায় ৮১ হাজার মানুষ

আপডেট সময় : ০১:২৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫


চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে টানা ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। এছাড়া দেশটির অনেক নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, এবং ব্যাহত হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, গুইঝো প্রদেশের রংজিয়াং কাউন্টিতে মঙ্গলবার (২৪ জুন) থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে বন্যার সৃষ্টি হয়। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকাল ১১টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ হাজার ৯০০ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বন্যা নিয়ন্ত্রণ দফতরের তথ্যমতে, অনেক এলাকা এখনও পানির নিচে রয়েছে। যান চলাচলে বিঘ্ন দেখা দিয়েছে এবং কিছু মানুষ এখনও আটকে পড়েছেন। শহরের বিভিন্ন স্থানে অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চীনা সরকার ইতোমধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ছয়টি প্রদেশে এই বছরের প্রথম ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে—যা দেশটির চার-স্তরের সতর্কতা ব্যবস্থার সর্বোচ্চ পর্যায়। এসব অঞ্চলের মধ্যে গুইঝো, গুয়াংশি, চংকিং, ইউনান ও সিচুয়ান প্রদেশ অন্তর্ভুক্ত। বর্তমানে এসব এলাকায় ভূমিধস ও জলবিদ্যুৎ বাঁধ উপচে পড়ার ঝুঁকিতে উচ্চ সতর্কতা অব্যাহত রয়েছে।

বন্যা পরিস্থিতি সামাল দিতে উদ্ধার কার্যক্রম চলমান থাকলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এমন দুর্যোগ আরও ঘন ঘন ও তীব্র আকার ধারণ করছে। পুরোনো ও দুর্বল বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাগুলো এই সংকট মোকাবিলায় অকার্যকর হয়ে পড়ছে। ফলে লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে এবং চীনকে কোটি কোটি ডলারের আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।