সর্বশেষ
পুঠিয়ায় চাঁদা না পেয়ে মুদি ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, আটক যুবক ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ঢাকা নগরীর চকবাজার থানাধীন ২৯ নং ওয়ার্ডের রহমতগঞ্জে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটি (এম.এফ.এস)’ এর এক জরুরি সভা। আলোচিত ঘটনায় পুলিশের স্ত্রী গ্রেফতার: তদন্তে নতুন তথ্য কানপুরে পাষণ্ড বাবার হাতে যমজ কন্যা হত্যা, নৃশংসতায় স্তম্ভিত জনমত নোয়াখালীতে সাবেক পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, ফেসবুক পোস্ট ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোড়ন হুমকি-ধামকি ও প্রতারণার অভিযোগে মানবাধিকার সংগঠনের শীর্ষ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ স্ত্রীর আপত্তিকর ভিডিও দেখে মানসিক আঘাত, অস্ত্রের গুলিতে প্রাণ দিলেন পুলিশ কনস্টেবল সম্রাট জমকালো আয়োজনে বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী ও প্রীতি সম্মাননা সাংবাদিকদের উন্নয়নে সরকার সচেষ্ট — এরশাদ উল্লাহ এমপি গাইবান্ধায় গৃহবধূ ববিতা হত্যা: ক্ষোভে ফুঁসে উঠে সড়ক অবরোধ, বিচার দাবিতে মানববন্ধন আনোয়ারা প্রেসক্লাবে ৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন, ৩ মাসে পূর্ণাঙ্গ কমিটির লক্ষ্যমাত্রা

ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনায় নতুন মাত্রা: কতটা ভয়ংকর ইরানের ‘খাইবার-শেকান’ ক্ষেপণাস্ত্র?

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ০৫:২৭:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫ ৬১ বার পড়া হয়েছে

বিস্তারিত প্রতিবেদন:
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক হামলায় নিজেদের তৈরি ‘খাইবার-শেকান’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করার কথা জানিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এই তথ্য সামনে আসতেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে আলোচনা—ইরানের এই মিসাইল আসলে কতটা শক্তিশালী?

‘খাইবার-শেকান’ মূলত ইরানের আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির একটি বড় উদাহরণ। এর প্রকৃত নাম ‘খোররামশহর-৪’। এটি দেশীয়ভাবে তৈরি খোররামশাহর ক্ষেপণাস্ত্র সিরিজের চতুর্থ প্রজন্মের সংস্করণ।

এই মিসাইলের পাল্লা প্রায় ২০০০ কিলোমিটার, এবং এটি প্রায় ১৫০০ কেজি ওজনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম—যা ইরানের মধ্য-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম ভারী ও বিধ্বংসী অস্ত্র।

তরল জ্বালানিচালিত ‘খাইবার-শেকান’ উড্ডয়ন অবস্থায়ই নিয়ন্ত্রণযোগ্য। এর বিশেষত্ব হলো, এটি বায়ুমণ্ডলের বাইরেও ওয়ারহেডের গতিপথ ঠিক রাখতে পারে। এর ফলে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে একে প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।

গতি ও ক্ষমতার দিক দিয়েও এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। মিসাইলটি বায়ুমণ্ডলের বাইরে চলাকালীন সর্বোচ্চ গতি ম্যাক ১৬—অর্থাৎ শব্দের গতির ১৬ গুণ। আর বায়ুমণ্ডলের ভেতরে গতি হয় প্রায় ম্যাক ৮। এরকম উচ্চ গতির কারণে প্রতিপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এর গতিপথ নির্ধারণ করতে হিমশিম খায়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, খাইবার-শেকান ইরানের সামরিক সক্ষমতার একটি নতুন যুগের সূচক। বিশেষত, ইসরায়েলের মতো উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার স্পষ্ট বার্তা দেয় যে, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্ত্র প্রতিযোগিতা আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি, আইআরজিসি প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনায় নতুন মাত্রা: কতটা ভয়ংকর ইরানের ‘খাইবার-শেকান’ ক্ষেপণাস্ত্র?

আপডেট সময় : ০৫:২৭:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫

বিস্তারিত প্রতিবেদন:
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক হামলায় নিজেদের তৈরি ‘খাইবার-শেকান’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করার কথা জানিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এই তথ্য সামনে আসতেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে আলোচনা—ইরানের এই মিসাইল আসলে কতটা শক্তিশালী?

‘খাইবার-শেকান’ মূলত ইরানের আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির একটি বড় উদাহরণ। এর প্রকৃত নাম ‘খোররামশহর-৪’। এটি দেশীয়ভাবে তৈরি খোররামশাহর ক্ষেপণাস্ত্র সিরিজের চতুর্থ প্রজন্মের সংস্করণ।

এই মিসাইলের পাল্লা প্রায় ২০০০ কিলোমিটার, এবং এটি প্রায় ১৫০০ কেজি ওজনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম—যা ইরানের মধ্য-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম ভারী ও বিধ্বংসী অস্ত্র।

তরল জ্বালানিচালিত ‘খাইবার-শেকান’ উড্ডয়ন অবস্থায়ই নিয়ন্ত্রণযোগ্য। এর বিশেষত্ব হলো, এটি বায়ুমণ্ডলের বাইরেও ওয়ারহেডের গতিপথ ঠিক রাখতে পারে। এর ফলে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে একে প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে।

গতি ও ক্ষমতার দিক দিয়েও এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। মিসাইলটি বায়ুমণ্ডলের বাইরে চলাকালীন সর্বোচ্চ গতি ম্যাক ১৬—অর্থাৎ শব্দের গতির ১৬ গুণ। আর বায়ুমণ্ডলের ভেতরে গতি হয় প্রায় ম্যাক ৮। এরকম উচ্চ গতির কারণে প্রতিপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এর গতিপথ নির্ধারণ করতে হিমশিম খায়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, খাইবার-শেকান ইরানের সামরিক সক্ষমতার একটি নতুন যুগের সূচক। বিশেষত, ইসরায়েলের মতো উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার স্পষ্ট বার্তা দেয় যে, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্ত্র প্রতিযোগিতা আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি, আইআরজিসি প্রেস বিজ্ঞপ্তি।