সর্বশেষ
আন্তর্জাতিক তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে নেপাল যাচ্ছেন রাবির পাঁচ শিক্ষার্থী সিসাদূষণ প্রতিরোধে রাবিতে ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও পিওর আর্থের র‍্যালি আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হওয়া উচিত মানবতা ও মানবাধিকার: প্রধান বিচারপতি কুবি বরিশাল ডিভিশনাল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে নয়ন-স্বর্ণা গফরগাঁও ও দক্ষিণ গফরগাঁওয়ে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‌্যালি ও সমাবেশ ময়মনসিংহ পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক অবৈধ ইটভাটা মোবাইল কোর্ট পরিচালিত দেশ-বিদেশের ভক্তদের পদচারণায় মুখর বারোমারী, শুরু দুই দিনের তীর্থোৎসব কাজিপুরের গান্ধাইল ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব প্লাস্টিক শিল্পে চরম দুর্দশা: কাঁচামালের দ্বিগুণ দামে বন্ধের পথে কারখানা, বিপাকে হাজারো ব্যবসায়ী রাজশাহী নগরীতে চোরাই ল্যাপটপ ও একডজন মোবাইল ফোন সহ গ্রেফতার ২

কাজিপুরের গান্ধাইল ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব

আমিনুল,কাজিপুর প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

 সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার ৩ নং গান্ধাইল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসক বরাবর অনাস্থা প্রস্তাব দাখিল করেছেন ১১জন ইউপি মেম্বার। বুধবার (২৮ অক্টোবর) অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যম হিসেবে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে জমা দেন। আজ ২৯ অক্টোবর কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেলা প্রশাসকের পাঠিয়েছেন বলে জানা গেছে।লিখিত অনাস্থা প্রস্তাব সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৩ নং গান্ধাইল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে বিধিবহির্ভূতভাবে আবাসিক কর আদায়কারী হিসেবে পাবনা জেলার জোত আইটি কে দায়িত্ব দেন। এবং ৯ টি ওয়ার্ড থেকে ১৫ লক্ষ টাকা নগদ কর আদায় করেন। পরবর্তীতে পরিষদে রেজুলেশন না করে সকল অর্থ আত্মসাত করেন। এছাড়াও ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ইউপি সদস্যদের রেজুলেশন ছাড়া অ্যাসেসমেন্ট অনুযায়ী আনুমানিক ৭ হাজার হোল্ডিং নেমপ্লেট বিক্রি করেন। এই টাকার কোনো প্রকার হিসাব পরিষদে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। এবং উল্লেখ করেন, স্থানীয় সরকারের (ইউনিয়ন পরিষদ আইন-২০০৯ এর ৩ ধারার ৩ উপধারা অনুযায়ী ৮ জন সাধারণ ও ৩ জন সংরক্ষিত ইউপি সদস্য মিলে প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে বাধ্য হন। এছাড়াও প্রয়োজনীয় বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে উক্ত আত্মসাৎকৃত অর্থ দ্বারা ইউপি সদস্যদের বকেয়া বেতন এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ সুগম করার জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট প্রার্থনা করেন। অনাস্থা প্রস্তাবের অনুলিপি রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার, পরিচালক, উপ-পরিচালক স্থানীয় সরকার বিভাগ, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক এবং কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে পেরণ করা হয়। উল্লেখ্য, গান্ধাইল ইউপির মোট ৯ টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। এ বিষয়ে গান্ধাইল ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক মুঠোফোনে জানান, তিনি অনাস্থার বিষয়টি অবগত নন। কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহানাজ পারভীনকে তার কার্যালয়ে না পেয়ে মোবাইলে কল করা হলে তিনি তা কেটে দেন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কাজিপুরের গান্ধাইল ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব

আপডেট সময় : ০২:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

 সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার ৩ নং গান্ধাইল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিকের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসক বরাবর অনাস্থা প্রস্তাব দাখিল করেছেন ১১জন ইউপি মেম্বার। বুধবার (২৮ অক্টোবর) অনাস্থা প্রস্তাবের মাধ্যম হিসেবে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে জমা দেন। আজ ২৯ অক্টোবর কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেলা প্রশাসকের পাঠিয়েছেন বলে জানা গেছে।লিখিত অনাস্থা প্রস্তাব সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৩ নং গান্ধাইল ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে বিধিবহির্ভূতভাবে আবাসিক কর আদায়কারী হিসেবে পাবনা জেলার জোত আইটি কে দায়িত্ব দেন। এবং ৯ টি ওয়ার্ড থেকে ১৫ লক্ষ টাকা নগদ কর আদায় করেন। পরবর্তীতে পরিষদে রেজুলেশন না করে সকল অর্থ আত্মসাত করেন। এছাড়াও ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ইউপি সদস্যদের রেজুলেশন ছাড়া অ্যাসেসমেন্ট অনুযায়ী আনুমানিক ৭ হাজার হোল্ডিং নেমপ্লেট বিক্রি করেন। এই টাকার কোনো প্রকার হিসাব পরিষদে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। এবং উল্লেখ করেন, স্থানীয় সরকারের (ইউনিয়ন পরিষদ আইন-২০০৯ এর ৩ ধারার ৩ উপধারা অনুযায়ী ৮ জন সাধারণ ও ৩ জন সংরক্ষিত ইউপি সদস্য মিলে প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে বাধ্য হন। এছাড়াও প্রয়োজনীয় বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে উক্ত আত্মসাৎকৃত অর্থ দ্বারা ইউপি সদস্যদের বকেয়া বেতন এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ সুগম করার জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট প্রার্থনা করেন। অনাস্থা প্রস্তাবের অনুলিপি রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার, পরিচালক, উপ-পরিচালক স্থানীয় সরকার বিভাগ, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক এবং কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে পেরণ করা হয়। উল্লেখ্য, গান্ধাইল ইউপির মোট ৯ টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। এ বিষয়ে গান্ধাইল ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক মুঠোফোনে জানান, তিনি অনাস্থার বিষয়টি অবগত নন। কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহানাজ পারভীনকে তার কার্যালয়ে না পেয়ে মোবাইলে কল করা হলে তিনি তা কেটে দেন