সর্বশেষ
ইউপি সদস্য ফরিদুল ইসলামের উপর হামলা গাইবান্ধায় ছাত্রলীগ নেতা অমিত গ্রেপ্তার: রাতে বাংলাবাজারে অভিযান নোয়াখালীতে ইসলামী ব্যাংক এজেন্টের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, কারখানা কর্মীকে পিটিয়ে আহত, নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ; প্রাণনাশের হুমকি ঢাকার চকবাজারে শোকের ছায়া আকরাম আহমেদ মোস্তফার ইন্তেকালে পুরো ব্যবসায়ী মহল যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা: গাইবান্ধায় আনন্দ মিছিল, তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা চট্টগ্রাম বন্দরে ৩২ লাখ টাকার পণ্য আত্মসাৎ: বন্দর থানার অভিযানে মূলহোতা গ্রেপ্তার জঙ্গলে বন্দি প্রকৌশলী, র‌্যাবের অভিযানে উদ্ধার; মুক্তিপণ চক্রের ৪ সদস্য আটক চোখের সামনে নেশার রাজ্য, তবুও নীরবতা কেন কাজিপুর উপজেলা জিয়া পরিষদের কমিটি অনুমোদন

চট্টগ্রাম বন্দরে ৩২ লাখ টাকার পণ্য আত্মসাৎ: বন্দর থানার অভিযানে মূলহোতা গ্রেপ্তার

 মোঃ শহীদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিবেদক,
  • আপডেট সময় : ০২:০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

 চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম বন্দরের আরএস জেটি এলাকা থেকে আত্মসাৎ হওয়া প্রায় ৩২ লাখ টাকা মূল্যের আমদানিকৃত মোবাইল এক্সোসরিজ পণ্যের ঘটনায় জড়িত চক্রের মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করেছে বন্দর থানা পুলিশ। একই সঙ্গে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয়েছে ৬ কার্টুন আমদানিকৃত মোবাইল ফোনের এলসিডি (LCD) ডিসপ্লে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বন্দর থানাধীন চট্টগ্রাম বন্দরের আরএস জেটির আওতাধীন এসসিওয়াই (SCY) ইয়ার্ড থেকে আমদানিকৃত মোবাইল এক্সোসরিজ পণ্য বুঝে নিয়ে নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বে ছিলেন মো. জাবেদ (৪২), মো. তানভীর (৩৮), মো. মানিক (৪০), মো. বিল্লাল হোসেন (৩১) ও মো. সোহাগ (৩৭)। তারা অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জন সহযোগীর সঙ্গে যোগসাজশে চালানে বর্ণিত ৫৯ কার্টুন মোবাইল এক্সোসরিজ পণ্য আমদানিকারকের কারখানায় না পৌঁছে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আত্মসাৎ হওয়া পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৩২ লাখ টাকা। প্রেস রিলিজে বলা হয়, গত ২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিকেল ৪টা থেকে ১ মে ২০২৬ সকাল ১১টার মধ্যে এ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় বন্দর থানায় মামলা দায়ের হলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) বন্দর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আমিরুল ইসলামের সার্বিক দিকনির্দেশনা এবং অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর)-এর তত্ত্বাবধানে বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবদুর রহিমের নেতৃত্বে এসআই মনিরুল আলম খোরশেদ, এএসআই গোলাম মওলা এবং কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামসহ একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে। তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৫ জুন ২০২৬ ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের কুরিমাঘোনা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আত্মসাতের ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃত দেলোয়ার হোসেনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন রাতে নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন রিয়াজউদ্দিন বাজারের তামাককুন্ডি লেইন বণিক সমিতির কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ৬ কার্টুন আমদানিকৃত মোবাইল ফোনের এলসিডি (LCD) ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়। রাত ১০টা ১০ মিনিটে উদ্ধারকৃত পণ্য জব্দ করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত দেলোয়ার হোসেন লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের কুরিমাঘোনা এলাকার কাজীর পাড়ার বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজারস্থ জলসা মার্কেটে অবস্থিত ‘মোবাইল জোন প্লাস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক বলে পুলিশ জানিয়েছে। বন্দর থানা পুলিশ জানিয়েছে, আত্মসাৎ হওয়া ৫৯ কার্টুন পণ্যের মধ্যে এ পর্যন্ত ৬ কার্টুন এলসিডি ডিসপ্লে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং আত্মসাৎ হওয়া অবশিষ্ট মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে চক্রটির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে ৩২ লাখ টাকার পণ্য আত্মসাৎ: বন্দর থানার অভিযানে মূলহোতা গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০২:০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

 চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম বন্দরের আরএস জেটি এলাকা থেকে আত্মসাৎ হওয়া প্রায় ৩২ লাখ টাকা মূল্যের আমদানিকৃত মোবাইল এক্সোসরিজ পণ্যের ঘটনায় জড়িত চক্রের মূলহোতাকে গ্রেপ্তার করেছে বন্দর থানা পুলিশ। একই সঙ্গে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয়েছে ৬ কার্টুন আমদানিকৃত মোবাইল ফোনের এলসিডি (LCD) ডিসপ্লে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বন্দর থানাধীন চট্টগ্রাম বন্দরের আরএস জেটির আওতাধীন এসসিওয়াই (SCY) ইয়ার্ড থেকে আমদানিকৃত মোবাইল এক্সোসরিজ পণ্য বুঝে নিয়ে নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বে ছিলেন মো. জাবেদ (৪২), মো. তানভীর (৩৮), মো. মানিক (৪০), মো. বিল্লাল হোসেন (৩১) ও মো. সোহাগ (৩৭)। তারা অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জন সহযোগীর সঙ্গে যোগসাজশে চালানে বর্ণিত ৫৯ কার্টুন মোবাইল এক্সোসরিজ পণ্য আমদানিকারকের কারখানায় না পৌঁছে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আত্মসাৎ হওয়া পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৩২ লাখ টাকা। প্রেস রিলিজে বলা হয়, গত ২৯ এপ্রিল ২০২৬ বিকেল ৪টা থেকে ১ মে ২০২৬ সকাল ১১টার মধ্যে এ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় বন্দর থানায় মামলা দায়ের হলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) বন্দর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আমিরুল ইসলামের সার্বিক দিকনির্দেশনা এবং অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর)-এর তত্ত্বাবধানে বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবদুর রহিমের নেতৃত্বে এসআই মনিরুল আলম খোরশেদ, এএসআই গোলাম মওলা এবং কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামসহ একটি টিম অভিযান পরিচালনা করে। তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৫ জুন ২০২৬ ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের কুরিমাঘোনা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আত্মসাতের ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃত দেলোয়ার হোসেনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন রাতে নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন রিয়াজউদ্দিন বাজারের তামাককুন্ডি লেইন বণিক সমিতির কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ৬ কার্টুন আমদানিকৃত মোবাইল ফোনের এলসিডি (LCD) ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়। রাত ১০টা ১০ মিনিটে উদ্ধারকৃত পণ্য জব্দ করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত দেলোয়ার হোসেন লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের কুরিমাঘোনা এলাকার কাজীর পাড়ার বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজারস্থ জলসা মার্কেটে অবস্থিত ‘মোবাইল জোন প্লাস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক বলে পুলিশ জানিয়েছে। বন্দর থানা পুলিশ জানিয়েছে, আত্মসাৎ হওয়া ৫৯ কার্টুন পণ্যের মধ্যে এ পর্যন্ত ৬ কার্টুন এলসিডি ডিসপ্লে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং আত্মসাৎ হওয়া অবশিষ্ট মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে চক্রটির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।