ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে মালামাল সংকটের দোহাই ১০ মাসেও মিলেনি শিল্প বিদ্যুৎ সংযোগ।
- আপডেট সময় : ১০:৩৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
ফেনী: ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ফুলগাজী জোনাল অফিসের চরম উদাসীনতায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে এক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার স্বপ্নের মুরগির খামার। শিল্প আবাসিক সংযোগের জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ডিমান্ড নোটের টাকা জমা দেওয়ার ১০ মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ পাননি গ্রাহক সানাউল্লাহ মিয়া। মালামাল সংকটের অজুহাত দেখিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ দীর্ঘ সময় ধরে এই সংযোগটি ঝুলিয়ে রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী গ্রাহক সানাউল্লাহ মিয়া জানান, তার মুরগির খামারের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে তিনি গত ২৭ জুলাই ২০২৫ তারিখে ৪,৮০০ টাকা জামানত হিসেবে জমা দেন (বিল নং- ০১৬০২২৫০৭০৫১৩, রশিদ নং- বিআরইবি ফর্ম নং-০৫)। নিয়ম অনুযায়ী জামানত জমা দেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যে সংযোগ প্রদানের কথা থাকলেও রহস্যজনক কারণে আজ অবধি তাকে সংযোগ দেওয়া হয়নি। গ্রাহক সানাউল্লাহ সংযোগের দাবিতে গত ১০ মাস ধরে ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) এবং ফুলগাজী জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারের (ডিজিএম) সাথে একাধিকবার সাক্ষাৎ ও যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু প্রতিবারই তাকে আশ্বাসের পরিবর্তে মালামাল সংকটের কথা বলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার জন্য দীর্ঘ ১০ মাস বিদ্যুৎহীন থাকা মানে বিশাল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়া। এই বিষয়ে কথা হয় ফেনী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মুহাম্মদ নুরুল হোসাইন এবং ডিজিএম (সদর দপ্তর-কারিগরি) শাহিন মিয়ার সাথে। এই প্রতিবেদককে তারা জানান, “বর্তমানে কিছু মালামাল সংকট আছে। মালামাল আসলে আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ওই গ্রাহককে সংযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করব। ডিমান্ড নোটের টাকা জমা নেওয়ার ১০ মাস পরও মালামাল না থাকা এবং গ্রাহককে বছরের পর বছর অপেক্ষায় রাখা বিআরইবি-র ‘গ্রাহকবান্ধব’ সেবাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সরকার যেখানে কৃষি ও ক্ষুদ্র শিল্পে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ দেওয়ার নির্দেশনা দিচ্ছে, সেখানে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এমন অপেশাদার আচরণে নতুন উদ্যোক্তারা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। ভুক্তভোগী সানাউল্লাহ মিয়ার খামারটি সচল করতে এবং গ্রাহক হয়রানি বন্ধে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি)-র উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।





















