সর্বশেষ
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় শেরপুর-ময়মনসিংহ সীমান্তে ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কালকিনি, ডাসার ও মাদারীপুর সদর আংশিক এলাকায় ত্রাণ বিতরণ দুর্যোগ প্রতিরোধে সলঙ্গায় তালবীজ রোপণ শারদীয় দূর্গাপূজায় যশোর সীমান্ত এলাকাসহ যশোর শহরের বিভিন্ন পূজা মন্ডপে বিজিবির কঠোর নিরাপত্তা শার্শায় পুলিশের অভিযানে প্রতারক চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেফতারসহ নগদ টাকা ও আলামত উদ্ধার মাত্র ৯ ও ১১ বছর বয়সেই কুরআন হিফজ, উম্মুলক্বোরা মহিলা একাডেমিতে দুই শিক্ষার্থীর সংবর্ধনা শেরপুরে ভয়ংকর রূপ ধারণ করছে ডেঙ্গু ও হাম ; হামে এখন পর্যন্ত মৃত্যু ৪ সাপাহারে শিক্ষক-কর্মচারী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি রেজাউল, সম্পাদক আইনুল নির্বাচিত নেত্রকোনায় হাত-পা বাঁধা অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার ময়মনসিংহে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার -০১

বরের জীবনের শেষ যাত্রা: বিয়ের গাড়ি দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৮ জনের

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ০১:১৭:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫ ৩০৮ বার পড়া হয়েছে

ভারতের উত্তরপ্রদেশে বিয়ের আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হলো বিষাদে। বরসহ তার পরিবারের আট সদস্য একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন, যা গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নামিয়ে এনেছে।

শুক্রবার (৫ জুলাই) সকালে সম্বলের জেবনাই গ্রামে জনতা ইন্টার কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন বর সুরুজ (২৪), তার ভাবি আশা (২৬), আশার দুই বছরের মেয়ে ঐশ্বর্য, বরের ভাই মনোজের ৬ বছরের ছেলে বিষ্ণু, বরের চাচি এবং আরও দুই শিশু, যাদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সিরতৌল গ্রামে কনের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন বর ও তার স্বজনরা। এসইউভি গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন তারা। অতিরিক্ত গতির কারণে গাড়ির চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং গাড়িটি সজোরে জনতা ইন্টার কলেজের দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। প্রচণ্ড শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা, ছুটে আসেন স্থানীয়রা।

দুর্ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত জেবনাই কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হলে সেখানেই পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজন মারা যান। আহত বাকি দুইজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক, যাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আলিগড়ের একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) অনুকৃতি শর্মা। তিনি বলেন,
“গাড়িটির অবস্থা দেখে বোঝা যাচ্ছে কী ভয়ংকর ছিল সেই মুহূর্তটি। খবর পেয়েই আমরা পুলিশ ও চিকিৎসা দল পাঠিয়েছিলাম।”

দুর্ঘটনার ভয়াবহতা ধরা পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতেও। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রাস্তায় ছড়িয়ে আছে রক্তাক্ত কাপড়, ভাঙা কাচ এবং দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া গাড়ির অংশবিশেষ।

বিয়ের আনন্দ যে এভাবে ভয়াবহ এক ট্র্যাজেডিতে পরিণত হবে—তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বরের জীবনের শেষ যাত্রা: বিয়ের গাড়ি দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৮ জনের

আপডেট সময় : ০১:১৭:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

ভারতের উত্তরপ্রদেশে বিয়ের আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হলো বিষাদে। বরসহ তার পরিবারের আট সদস্য একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন, যা গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নামিয়ে এনেছে।

শুক্রবার (৫ জুলাই) সকালে সম্বলের জেবনাই গ্রামে জনতা ইন্টার কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন বর সুরুজ (২৪), তার ভাবি আশা (২৬), আশার দুই বছরের মেয়ে ঐশ্বর্য, বরের ভাই মনোজের ৬ বছরের ছেলে বিষ্ণু, বরের চাচি এবং আরও দুই শিশু, যাদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সিরতৌল গ্রামে কনের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন বর ও তার স্বজনরা। এসইউভি গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন তারা। অতিরিক্ত গতির কারণে গাড়ির চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং গাড়িটি সজোরে জনতা ইন্টার কলেজের দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। প্রচণ্ড শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা, ছুটে আসেন স্থানীয়রা।

দুর্ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত জেবনাই কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হলে সেখানেই পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজন মারা যান। আহত বাকি দুইজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক, যাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আলিগড়ের একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) অনুকৃতি শর্মা। তিনি বলেন,
“গাড়িটির অবস্থা দেখে বোঝা যাচ্ছে কী ভয়ংকর ছিল সেই মুহূর্তটি। খবর পেয়েই আমরা পুলিশ ও চিকিৎসা দল পাঠিয়েছিলাম।”

দুর্ঘটনার ভয়াবহতা ধরা পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতেও। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রাস্তায় ছড়িয়ে আছে রক্তাক্ত কাপড়, ভাঙা কাচ এবং দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া গাড়ির অংশবিশেষ।

বিয়ের আনন্দ যে এভাবে ভয়াবহ এক ট্র্যাজেডিতে পরিণত হবে—তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।