সর্বশেষ
মৃত ব্যক্তির নামে ফেক আইডি ও অপপ্রচার : মানবিক সংগঠনকে ঘিরে সংঘবদ্ধ ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ময়মনসিংহে আন্তর্জাতিক রেড ক্রিসেন্ট দিবস বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত বেনাপোল কাস্টমসের অর্জন: ৭৩০ কেজি ভারতীয় রুই মাছ আটক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১,০০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার -০১ যশোরে বিজিবির অভিযানে ৭ কোটি টাকার স্বর্ণসহ ৩ জন আ/টক ভোলার চরফ্যাশনে আদালত থেকে জামিন পেলেন মাস্টার মহিউদ্দিন হাওলাদার বেনাপোলে সাংবাদিক রাব্বীর ওপর হামলা: এক মাসেও গ্রেফতার নেই, ক্ষোভে সাংবাদিক সমাজ খানসামায় প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত দর্শনে চাঞ্চল্যকর ঘটনা: অন্তঃসত্তা শিশুর অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর বেগমগঞ্জে বিতর্কিত ইউপি সদস্য পলাশের বিরুদ্ধে সালিশ ও মামলা ঘুষ বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ, আতঙ্কে এলাকাবাসী

মৃত ব্যক্তির নামে ফেক আইডি ও অপপ্রচার : মানবিক সংগঠনকে ঘিরে সংঘবদ্ধ ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৮:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালী প্রতিনিধি :
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নং নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার, ফেক আইডি ব্যবহার, প্রাণনাশের হুমকি এবং একটি মানবিক সংগঠনকে ঘিরে সংঘবদ্ধ ষড়যন্ত্রের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ করেছেন প্রতিবাদী কন্ঠ মানবিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাজী মোহাম্মদ আজিম মিঞা।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার মৃত পিতা আবুল হাশেম মিঞার ছবি ও নাম ব্যবহার করে, তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডির সঙ্গে হুবহু মিল রেখে এবং বিভিন্ন ছদ্মনামে একাধিক ফেক আইডি খুলে দীর্ঘদিন ধরে তাকে, তার পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়স্বজনকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ, মানহানিকর ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য ছড়ানো হচ্ছে। এমনকি তার মেয়ে, পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনদের নাম ব্যবহার করেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অশ্লীল ও আপত্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনায় তিনি স্থানীয় বিতর্কিত মেম্বার আনোয়ার হোসেন পলাশ এবং জামাল উদ্দিন খোকনের নেতৃত্বাধীন একটি সংঘবদ্ধ চক্রকে সরাসরি দায়ী করেন।
আজিম মিঞার দাবি, আধুনিক এআই সফটওয়্যার ব্যবহার করে বিকৃত ছবি, কণ্ঠ ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কবরের ওপর ভবন নির্মাণ এবং সুদের ব্যবসা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে এই অপচেষ্টা শুরু হয়।
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে চকবাজার থানায় একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতে তিনি তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট চক্রের সঙ্গে মাদকাসক্ত, কিশোর গ্যাং এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তারা সামাজিক পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে এবং এলাকায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পরিকল্পিতভাবে আজিম মিঞা ও তার পরিবারকে টার্গেট করে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
আজিম মিঞা বলেন,
“তারা নিজেরা কোনো উন্নয়নমূলক কাজ করে না, আবার কেউ ভালো কাজ করতে গেলেও বাধা সৃষ্টি করে। প্রতিবাদী কন্ঠ মানবিক সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু নতুন করে ‘৯ বাড়ির বাউন্ডারি সংগঠন’ গঠনের নামে একটি মহল সংঘবদ্ধ হয়ে পলাশ মেম্বারের নেতৃত্বে মব সৃষ্টি করে প্রতিষ্ঠিত এই মানবিক সংগঠনটিকে বন্ধ করে দেয়।”
তিনি আরও প্রশ্ন তুলে বলেন,
“যদি সত্যিই তারা সমাজসেবামূলক সংগঠন গড়তে চাইত, তাহলে নতুন সংগঠন গঠন করত। একটি প্রতিষ্ঠিত মানবিক সংগঠন বন্ধ করার পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল?”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, আনোয়ার হোসেন পলাশ ও জামাল উদ্দিন খোকন পরিকল্পিতভাবে আজিম মিঞার সামাজিক অবস্থান, জনপ্রিয়তা, ব্যবসায়িক সফলতা এবং মানবিক কর্মকাণ্ডে ঈর্ষান্বিত হয়ে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদী কন্ঠ মানবিক সংগঠন এলাকার উন্নয়ন, দান-অনুদান এবং অসহায় মানুষের সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। অপরদিকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এলাকায় উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের নজির নেই বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, পলাশ মেম্বারের ভাই ও জামাল উদ্দিন খোকনের পরিবারের সদস্যরা ফেক আইডি ব্যবহার করে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। বিভিন্ন মন্তব্যে বলা হচ্ছে, “আজিম মিঞা ঢাকা থেকে গ্রামে ফিরলে তাকে যে কোনো উপায়ে হত্যা করা হবে।” এমনকি গ্রামের বাড়িতে থাকা আজিম মিঞার চাচা-চাচিকেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
আজিম মিঞা আরও দাবি করেন, তার বাড়ির বিল্ডিং ভেঙে ফেলা এবং তাকে হত্যা করার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিবাদী কন্ঠ মানবিক সংগঠনের ঢাকা প্রধান কার্যালয়ের সদস্য ও কমিটির লোকজনদের হোয়াটসঅ্যাপ ও ম্যাসেঞ্জারে বিভিন্ন কুৎসা, গালাগাল এবং এআই প্রযুক্তিতে তৈরি বিকৃত ছবি পাঠিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
আজিম মিঞার ভাষ্য,
“একজন জনপ্রতিনিধির কাজ হওয়া উচিত সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। কিন্তু উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা না করে বরং মানবিক কাজ ও অন্যায়ের প্রতিবাদকে বাধাগ্রস্ত করার পেছনে কী কারণ রয়েছে—সেটি এখন জনমনে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সচেতন মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেক আইডি ব্যবহার, অপপ্রচার, প্রাণনাশের হুমকি এবং ব্যক্তিগত মানহানিকর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মৃত ব্যক্তির নামে ফেক আইডি ও অপপ্রচার : মানবিক সংগঠনকে ঘিরে সংঘবদ্ধ ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৪:৫৮:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

নোয়াখালী প্রতিনিধি :
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নং নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার, ফেক আইডি ব্যবহার, প্রাণনাশের হুমকি এবং একটি মানবিক সংগঠনকে ঘিরে সংঘবদ্ধ ষড়যন্ত্রের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ করেছেন প্রতিবাদী কন্ঠ মানবিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাজী মোহাম্মদ আজিম মিঞা।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, তার মৃত পিতা আবুল হাশেম মিঞার ছবি ও নাম ব্যবহার করে, তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডির সঙ্গে হুবহু মিল রেখে এবং বিভিন্ন ছদ্মনামে একাধিক ফেক আইডি খুলে দীর্ঘদিন ধরে তাকে, তার পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়স্বজনকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ, মানহানিকর ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য ছড়ানো হচ্ছে। এমনকি তার মেয়ে, পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনদের নাম ব্যবহার করেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অশ্লীল ও আপত্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনায় তিনি স্থানীয় বিতর্কিত মেম্বার আনোয়ার হোসেন পলাশ এবং জামাল উদ্দিন খোকনের নেতৃত্বাধীন একটি সংঘবদ্ধ চক্রকে সরাসরি দায়ী করেন।
আজিম মিঞার দাবি, আধুনিক এআই সফটওয়্যার ব্যবহার করে বিকৃত ছবি, কণ্ঠ ও বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কবরের ওপর ভবন নির্মাণ এবং সুদের ব্যবসা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে এই অপচেষ্টা শুরু হয়।
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে চকবাজার থানায় একাধিক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতে তিনি তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট চক্রের সঙ্গে মাদকাসক্ত, কিশোর গ্যাং এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তারা সামাজিক পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে এবং এলাকায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পরিকল্পিতভাবে আজিম মিঞা ও তার পরিবারকে টার্গেট করে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
আজিম মিঞা বলেন,
“তারা নিজেরা কোনো উন্নয়নমূলক কাজ করে না, আবার কেউ ভালো কাজ করতে গেলেও বাধা সৃষ্টি করে। প্রতিবাদী কন্ঠ মানবিক সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু নতুন করে ‘৯ বাড়ির বাউন্ডারি সংগঠন’ গঠনের নামে একটি মহল সংঘবদ্ধ হয়ে পলাশ মেম্বারের নেতৃত্বে মব সৃষ্টি করে প্রতিষ্ঠিত এই মানবিক সংগঠনটিকে বন্ধ করে দেয়।”
তিনি আরও প্রশ্ন তুলে বলেন,
“যদি সত্যিই তারা সমাজসেবামূলক সংগঠন গড়তে চাইত, তাহলে নতুন সংগঠন গঠন করত। একটি প্রতিষ্ঠিত মানবিক সংগঠন বন্ধ করার পেছনে কী উদ্দেশ্য ছিল?”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, আনোয়ার হোসেন পলাশ ও জামাল উদ্দিন খোকন পরিকল্পিতভাবে আজিম মিঞার সামাজিক অবস্থান, জনপ্রিয়তা, ব্যবসায়িক সফলতা এবং মানবিক কর্মকাণ্ডে ঈর্ষান্বিত হয়ে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদী কন্ঠ মানবিক সংগঠন এলাকার উন্নয়ন, দান-অনুদান এবং অসহায় মানুষের সহায়তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। অপরদিকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এলাকায় উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের নজির নেই বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, পলাশ মেম্বারের ভাই ও জামাল উদ্দিন খোকনের পরিবারের সদস্যরা ফেক আইডি ব্যবহার করে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। বিভিন্ন মন্তব্যে বলা হচ্ছে, “আজিম মিঞা ঢাকা থেকে গ্রামে ফিরলে তাকে যে কোনো উপায়ে হত্যা করা হবে।” এমনকি গ্রামের বাড়িতে থাকা আজিম মিঞার চাচা-চাচিকেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
আজিম মিঞা আরও দাবি করেন, তার বাড়ির বিল্ডিং ভেঙে ফেলা এবং তাকে হত্যা করার হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিবাদী কন্ঠ মানবিক সংগঠনের ঢাকা প্রধান কার্যালয়ের সদস্য ও কমিটির লোকজনদের হোয়াটসঅ্যাপ ও ম্যাসেঞ্জারে বিভিন্ন কুৎসা, গালাগাল এবং এআই প্রযুক্তিতে তৈরি বিকৃত ছবি পাঠিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
আজিম মিঞার ভাষ্য,
“একজন জনপ্রতিনিধির কাজ হওয়া উচিত সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। কিন্তু উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা না করে বরং মানবিক কাজ ও অন্যায়ের প্রতিবাদকে বাধাগ্রস্ত করার পেছনে কী কারণ রয়েছে—সেটি এখন জনমনে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সচেতন মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেক আইডি ব্যবহার, অপপ্রচার, প্রাণনাশের হুমকি এবং ব্যক্তিগত মানহানিকর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন