সর্বশেষ
শিবচর বাজারে গ্যাসের কৃত্রিম সংকট রোধে প্রশাসনের অভিযান। ৩৫ জেলায় নিপাহের মহাবিপদ: ইতিহাসে প্রথম অ-মৌসুমি সংক্রমণ, মৃত্যুহার ১০০%! জেএফ-১৭ থান্ডার ক্রয়ে বাংলাদেশ–পাকিস্তান আলোচনায় গতি, মিলছে প্রশিক্ষণ–সহায়তার আশ্বাস যুবলীগ নেতা বাপ্পির নির্দেশেই হাদি হত্যাকাণ্ড, অভিযোগপত্রে ডিবির চাঞ্চল্যকর তথ্য শেরপুরে বিএনপিতে যোগ দিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৩০০ নেতাকর্মী ফ্লাশ করলেই মিলবে কিডনি রোগের সংকেত: টয়লেট ট্যাবলেটে যুগান্তকারী উদ্ভাবন কারসাজিতে এলপি গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান এনইআইআর ইস্যুতে রাজপথে উত্তাল মোবাইল ব্যবসায়ীরাপুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর বৈঠকে যে কড়া বার্তা দিলেন আন্দোলনকারীরা সেন্টমার্টিন উপকূলে কোস্টগার্ডের অভিযানে মিয়ানমারে পাচারের সময় সিমেন্ট ও ডিজেলসহ ১৮ জন আটক কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি

মুগদায় এপিবিএনের এএসআই কামরুল হাসানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

মো: আজিম মিঞা
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৭:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে


রাজধানীর মুগদা মান্ডার একটি বাসা থেকে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এপিবিএন) কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কামরুল হাসানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে শনিবার দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত কামরুল হাসান (৩০) রাঙ্গামাটিতে অবস্থিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ডালপা গ্রামে। তিনি নূর মিয়ার ছেলে।
মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন মিয়া জানান, খবর পেয়ে শুক্রবার দুপুরে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিকটবর্তী এলাকা থেকে কামরুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তিনি আগে ঢাকায় কর্মরত ছিলেন এবং সম্প্রতি বদলি হয়ে রাঙ্গামাটিতে যোগ দেন। তবে তার স্ত্রী ও সন্তানরা মুগদার মান্ডার ওই বাসায় বসবাস করতেন।
তিনি আরও জানান, কামরুলের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস ও তাদের দুই মেয়ে কয়েকদিন আগে গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে চলে যান। এ সময় কামরুল একাই ওই বাসায় অবস্থান করছিলেন।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কামরুল হাসান এপিবিএনের একজন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় ছিলেন। একটি টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের জন্য গত ১৭ ডিসেম্বর তিনি রাঙ্গামাটি থেকে ঢাকায় আসেন এবং মুগদার বাসায় উঠেন। ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যবর্তী সময়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।
কামরুলের বড় ভাই জসিম উদ্দিন মাস্টার জানান, শুক্রবার দুপুরে বাসার প্রতিবেশীদের মাধ্যমে তারা খবর পান যে কামরুল গলায় ফাঁস দিয়েছেন। পরে তারা ৯৯৯-এ কল করে বিষয়টি পুলিশকে জানান। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, সে বিষয়ে পরিবার বা স্বজনরা কোনো তথ্য দিতে পারেননি।
মুগদা থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি রহস্যজনক হওয়ায় মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মুগদায় এপিবিএনের এএসআই কামরুল হাসানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

আপডেট সময় : ০৮:৫৭:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬


রাজধানীর মুগদা মান্ডার একটি বাসা থেকে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এপিবিএন) কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কামরুল হাসানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে শনিবার দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত কামরুল হাসান (৩০) রাঙ্গামাটিতে অবস্থিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ডালপা গ্রামে। তিনি নূর মিয়ার ছেলে।
মুগদা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন মিয়া জানান, খবর পেয়ে শুক্রবার দুপুরে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিকটবর্তী এলাকা থেকে কামরুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তিনি আগে ঢাকায় কর্মরত ছিলেন এবং সম্প্রতি বদলি হয়ে রাঙ্গামাটিতে যোগ দেন। তবে তার স্ত্রী ও সন্তানরা মুগদার মান্ডার ওই বাসায় বসবাস করতেন।
তিনি আরও জানান, কামরুলের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস ও তাদের দুই মেয়ে কয়েকদিন আগে গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে চলে যান। এ সময় কামরুল একাই ওই বাসায় অবস্থান করছিলেন।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কামরুল হাসান এপিবিএনের একজন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় ছিলেন। একটি টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের জন্য গত ১৭ ডিসেম্বর তিনি রাঙ্গামাটি থেকে ঢাকায় আসেন এবং মুগদার বাসায় উঠেন। ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যবর্তী সময়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।
কামরুলের বড় ভাই জসিম উদ্দিন মাস্টার জানান, শুক্রবার দুপুরে বাসার প্রতিবেশীদের মাধ্যমে তারা খবর পান যে কামরুল গলায় ফাঁস দিয়েছেন। পরে তারা ৯৯৯-এ কল করে বিষয়টি পুলিশকে জানান। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, সে বিষয়ে পরিবার বা স্বজনরা কোনো তথ্য দিতে পারেননি।
মুগদা থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি রহস্যজনক হওয়ায় মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।