বেগমগঞ্জের নরোত্তমপুরে ইমামকে বিদায় সংবর্ধনায় পাগড়ি পরানো নিয়ে বিতর্ক,
- আপডেট সময় : ১০:৪২:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে
সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নং নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মরহুম কলিমুল্লাহ মৌলভী সাহেবের জামে মসজিদে দীর্ঘদিন ইমামতির দায়িত্ব পালনকারী মাওলানা আবু বক্কর সিদ্দিককে বিদায় সংবর্ধনা ও সম্মাননা হিসেবে পাগড়ি পরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে মতবিরোধ দেখা দেয়।
এ ঘটনাকে ঘিরে ওয়ার্ডের একজন জনপ্রতিনিধির ভূমিকা নিয়েও সামাজিক মাধ্যমে নানা মন্তব্য ও সমালোচনা প্রকাশ পাচ্ছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, একজন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা প্রদান একজন বিতর্কিত ওয়ার্ড প্রতিনিধি? যার মাধ্যমে সমাজের ধর্মীয় কোন কর্মকান্ড নেই বললেই চলে, পলাশ মেম্বার এক ওয়াক্ত নামাজ কখনো মসজিদে গিয়ে পড়েনি এমনকি ঈদের নামাজটাও সে পড়ে না তাহলে তাকে দিয়ে একজন সম্মানী ব্যক্তি কে এমন আয়োজন করার বাস্তব যুক্তি কি আছে? যে প্রতিনিধি মানবিক কাজের বিরোধী এবং সমাজে উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে যার নাই কোন ভূমিকা প্রতিবাদকে হিংস্রতার চোখে দেখে, অপরাধ জগতের সম্রাট এবং নারি কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত, আরো প্রশ্ন উঠেছে একজন বলৎকার এর ছেলেকে , সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমাজসেবক হিসেবে আখ্যায়িত করায়,যেই ফেক আইডি এবং এআই তৈরি করা এবং ফেক আইডি এ নোংরা কমেন্ট করা ব্যক্তি।
এবং পূর্বেও র্যাবের হাতে আটক হয়েছে অবৈধ কর্মকাণ্ড করার কারণে। অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ব্যক্তি কিভাবে সমাজসেবক হয়?
তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এবং কি ৫০০ টাকার কামলা তোতলাকে দিয়ে। এমন মন গড়া প্রতিবেদন করাতে
এদিকে কিছু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী। এই বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষও প্রকাশ করেছেন।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে









