ফেক আইডির আড়ালে অপপ্রচার: কবরের উপর ভবন নির্মাণের ঘটনা নিয়ে তোলপাড় নরোত্তমপুর ইউনিয়ন
- আপডেট সময় : ০৪:০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নং নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে কবরের উপর ভবন নির্মাণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা, সমালোচনা ও জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর থেকে একের পর এক ফেক আইডি ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ভিত্তিহীন, কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, কবরের উপর ভবন নির্মাণের অভিযোগের বিষয়ে জবাবদিহি না করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ফেক আইডির আড়ালে থেকে অপপ্রচার চালিয়ে জনমতকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। তাদের মতে, মূল ঘটনার সত্যতা আড়াল করতে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
এদিকে মানবিক ও সামাজিক সংগঠন প্রতিবাদী কণ্ঠ-এর বিরুদ্ধেও দীর্ঘদিন ধরে অপপ্রচার, সম্মানহানি এবং মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে সোচ্চার থাকায় একটি অসাধু চক্র বিভিন্ন সময়ে ফেক আইডি ব্যবহার করে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ফেক আইডি থেকে লাইভে এসে মৃত গোলাম মোছোড়ার ছেলে, মাদকাসক্ত যার নামে পূর্বেও একাধিক প্রতিবেদন হয়েছে ইকবাল মানবিক সংগঠন প্রতিবাদী কণ্ঠের সভাপতি মোহাম্মদ আজিম মিঞাকে নিয়ে বিভিন্ন আপত্তিকর, অশালীন ও ভিত্তিহীন মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা জানান, লাইভে ব্যক্তিগত আক্রমণ, কটূক্তি এবং মানহানিকর বক্তব্যের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
সচেতন মহলের প্রশ্ন—যদি কবরের উপর ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগ মিথ্যা হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্টরা প্রকৃত পরিচয়ে সামনে এসে তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করছেন না কেন? কেন ফেক আইডির আড়ালে থেকে ব্যক্তিগত আক্রমণ, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও অপপ্রচারের আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে?
স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, কবরের মতো পবিত্র স্থানের মর্যাদা রক্ষা করা সকলের নৈতিক দায়িত্ব। তাই এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা জরুরি। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেক আইডি ব্যবহার করে অপপ্রচার, বিভ্রান্তি ও সম্মানহানিকর কর্মকাণ্ড পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানিয়েছেন তারা।
প্রতিবাদী কণ্ঠের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তাদের অবস্থান অতীতের মতো ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। কোনো অপপ্রচার, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা কুৎসা রটনা সত্য প্রকাশের পথকে রুদ্ধ করতে পারবে না।
সত্যকে আড়াল করার জন্য যতই অপচেষ্টা চালানো হোক, জনগণের আদালতে শেষ পর্যন্ত সত্যেরই জয় হবে।




















