সর্বশেষ
শিবচর বাজারে গ্যাসের কৃত্রিম সংকট রোধে প্রশাসনের অভিযান। ৩৫ জেলায় নিপাহের মহাবিপদ: ইতিহাসে প্রথম অ-মৌসুমি সংক্রমণ, মৃত্যুহার ১০০%! জেএফ-১৭ থান্ডার ক্রয়ে বাংলাদেশ–পাকিস্তান আলোচনায় গতি, মিলছে প্রশিক্ষণ–সহায়তার আশ্বাস যুবলীগ নেতা বাপ্পির নির্দেশেই হাদি হত্যাকাণ্ড, অভিযোগপত্রে ডিবির চাঞ্চল্যকর তথ্য শেরপুরে বিএনপিতে যোগ দিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৩০০ নেতাকর্মী ফ্লাশ করলেই মিলবে কিডনি রোগের সংকেত: টয়লেট ট্যাবলেটে যুগান্তকারী উদ্ভাবন কারসাজিতে এলপি গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান এনইআইআর ইস্যুতে রাজপথে উত্তাল মোবাইল ব্যবসায়ীরাপুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর বৈঠকে যে কড়া বার্তা দিলেন আন্দোলনকারীরা সেন্টমার্টিন উপকূলে কোস্টগার্ডের অভিযানে মিয়ানমারে পাচারের সময় সিমেন্ট ও ডিজেলসহ ১৮ জন আটক কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি

নৌকায় মাছ শিকারের ছলে ইয়াবা ব্যবসা, রাজৈরে নারীসহ গ্রেপ্তার ৪

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ০৮:১৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫ ৩১ বার পড়া হয়েছে


মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় মাছ শিকারের ছলে নৌকায় বসেই চালানো হচ্ছিল ইয়াবা বিক্রির অবৈধ ব্যবসা। তবে পুলিশের তৎপর অভিযানে ভেসে উঠেছে এই মাদকচক্রের মুখোশ। অভিযানে নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ জুলাই) রাতে রাজৈর উপজেলার বাজিতপুর ইউনিয়নের মজুমদার বাজারের পাশের নদীপাড় থেকে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১,৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে রাজৈর থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—বাজিতপুর গ্রামের সুমন হাওলাদারের স্ত্রী টুম্মা বেগম (৩০), একই গ্রামের কালাম খালাসির ছেলে নয়ন খালাসি (২০), নয়ানগর গ্রামের জগিল হাওলাদারের ছেলে অনিক হাওলাদার (২২) এবং সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের কাঠেরপুল এলাকার নুরুজ্জামান ঘরামীর ছেলে সজিব ঘরামী (২০)।

রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় কিছু চক্র অভিনব কৌশলে নদীপথে নৌকা ও টং ঘর ব্যবহার করে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। মূলত বাজিতপুর গ্রামের সুমন হাওলাদার ও তার ভাই সোহেল হাওলাদার এ ব্যবসার হোতা হিসেবে কাজ করছে।

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রাজৈর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্চয় কুমার ঘোষের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। এ সময় এক নারীসহ চার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলেও চক্রের মূল দুই হোতা সুমন ও সোহেল পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

পুলিশ জানায়, এই মাদক ব্যবসায়ীরা সাধারণত মাঝ নদীতে অবস্থান করে এবং সেখানে বসেই ইয়াবা বিক্রি করে। তাদের কাছাকাছি যেতে হলে নৌকা ব্যবহার করতে হয়। অপরিচিত কাউকে দেখলে সাথে সাথে ইয়াবা পানিতে ফেলে দেয়, যাতে সেগুলো গলে গিয়ে নষ্ট হয়ে যায় এবং প্রমাণ মুছে যায়। এই কারণে তাদের ধরাও বেশ কঠিন।

ওসি আরও বলেন, “আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। মাদক চক্র যতই কৌশল পরিবর্তন করুক, আমরা তাদের ধরেই আইনের আওতায় আনব।”

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নৌকায় মাছ শিকারের ছলে ইয়াবা ব্যবসা, রাজৈরে নারীসহ গ্রেপ্তার ৪

আপডেট সময় : ০৮:১৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫


মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় মাছ শিকারের ছলে নৌকায় বসেই চালানো হচ্ছিল ইয়াবা বিক্রির অবৈধ ব্যবসা। তবে পুলিশের তৎপর অভিযানে ভেসে উঠেছে এই মাদকচক্রের মুখোশ। অভিযানে নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ জুলাই) রাতে রাজৈর উপজেলার বাজিতপুর ইউনিয়নের মজুমদার বাজারের পাশের নদীপাড় থেকে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১,৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে রাজৈর থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—বাজিতপুর গ্রামের সুমন হাওলাদারের স্ত্রী টুম্মা বেগম (৩০), একই গ্রামের কালাম খালাসির ছেলে নয়ন খালাসি (২০), নয়ানগর গ্রামের জগিল হাওলাদারের ছেলে অনিক হাওলাদার (২২) এবং সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের কাঠেরপুল এলাকার নুরুজ্জামান ঘরামীর ছেলে সজিব ঘরামী (২০)।

রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় কিছু চক্র অভিনব কৌশলে নদীপথে নৌকা ও টং ঘর ব্যবহার করে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। মূলত বাজিতপুর গ্রামের সুমন হাওলাদার ও তার ভাই সোহেল হাওলাদার এ ব্যবসার হোতা হিসেবে কাজ করছে।

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রাজৈর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্চয় কুমার ঘোষের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। এ সময় এক নারীসহ চার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলেও চক্রের মূল দুই হোতা সুমন ও সোহেল পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

পুলিশ জানায়, এই মাদক ব্যবসায়ীরা সাধারণত মাঝ নদীতে অবস্থান করে এবং সেখানে বসেই ইয়াবা বিক্রি করে। তাদের কাছাকাছি যেতে হলে নৌকা ব্যবহার করতে হয়। অপরিচিত কাউকে দেখলে সাথে সাথে ইয়াবা পানিতে ফেলে দেয়, যাতে সেগুলো গলে গিয়ে নষ্ট হয়ে যায় এবং প্রমাণ মুছে যায়। এই কারণে তাদের ধরাও বেশ কঠিন।

ওসি আরও বলেন, “আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। মাদক চক্র যতই কৌশল পরিবর্তন করুক, আমরা তাদের ধরেই আইনের আওতায় আনব।”

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং পলাতকদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।