সর্বশেষ
নালিতাবাড়ীতে অসামাজিক কার্যকলাপ করতে গিয়ে এলাকাবাসীর কাছে ধরা,পলাতক মুদি দোকানদার আজিম মিঞার প্রতিবাদমূলক পোস্টে বিতর্কিত মন্তব্য, আলোচনায় পারি ফাউন্ডেশনের ফিরোজ আহমেদ পলাশ জামায়েতে ইসলামি যুব বিভাগ নালিতাবাড়ী শাখার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য যুব র‍্যালি অনুষ্ঠিত ব্রাক্ষ্মণ পাড়া থানার ভয়ঙ্কর মাদক স্পটের নেতৃত্বে চৌকিদার শাহীন শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে অতিরিক্ত লবণ, চিনি ও ট্রান্স ফ্যাটের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি এসএসসি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার চেষ্টা ১০ বছরের শিশু অপহরণের পরের দিনই উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাপাহারে গাছের চারা বিতরণ সাপাহারে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

নরোত্তমপুরে ফেক আইডি ও অপপ্রচারের অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক।

আবু তাহের খোকন স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১১:২৮:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ৪৬ বার পড়া হয়েছে

 

পূর্বের নানা অভিযোগ ও বিতর্ক আবার আলোচনায়, তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর  নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নং নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃত ব্যক্তির নাম ও ছবি ব্যবহার করে পরিচালিত কথিত ফেক আইডি, বিভ্রান্তিকর ভিডিও বার্তা এবং অপপ্রচারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন স্থানীয়ভাবে আলোচিত জামাল উদ্দিন ওরফে ‘সুদি খোকন’—যদিও এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই এখনো সম্পন্ন হয়নি।
স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বেনামী ও কথিত ফেক আইডি থেকে স্থানীয় ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন এবং বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে। সম্প্রতি মৃত ব্যক্তিদের পরিচয় ব্যবহার করে পরিচালিত কিছু অ্যাকাউন্ট নতুন করে জনমনে উদ্বেগ তৈরি করেছে বলে তারা জানান।
অভিযোগকারীদের ভাষ্যমতে, এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে জনমত প্রভাবিত করা, প্রকৃত তথ্য আড়াল করা এবং বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক নথি বা তদন্ত প্রতিবেদন এখনো প্রকাশিত হয়নি।
স্থানীয়দের একাংশ অতীতের কিছু আলোচিত ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, পারিবারিক কবরস্থানের ওপর ভবন নির্মাণ নিয়ে একসময় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ওই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সংবাদকর্মী ও একটি মানবিক সংগঠনকে লক্ষ্য করে অপপ্রচারের অভিযোগও ওঠে—যদিও এসব দাবিও স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
এলাকাবাসীর একাংশ আরও দাবি করেন, বিতর্কিত বলে আলোচিত স্থাপনার চারপাশে পরবর্তীতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়, যা নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে, অভিযোগ রয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বিকৃত ছবি তৈরি, বেনামী অ্যাকাউন্ট পরিচালনা এবং বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ছড়ানো হচ্ছে। এসব কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে সামাজিক পরিবেশে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন।
এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে কিছু সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমকে ঘিরেও বিতর্কের কথা শোনা যায়। অভিযোগকারীদের দাবি, কিছু উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত বা প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন ভিডিও, ছবি ও তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের দাবি উঠেছে। এলাকাবাসীর একাংশ মনে করেন, এসব ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে—তা স্পষ্ট হওয়া জরুরি।
এ বিষয়ে সচেতন মহল মনে করছে, মৃত ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে ফেক আইডি পরিচালনা, অপতথ্য ছড়ানো এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার প্রমাণিত হলে তা গুরুতর অনৈতিক ও আইনগত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নরোত্তমপুরে ফেক আইডি ও অপপ্রচারের অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক।

আপডেট সময় : ১১:২৮:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

 

পূর্বের নানা অভিযোগ ও বিতর্ক আবার আলোচনায়, তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর  নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নং নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃত ব্যক্তির নাম ও ছবি ব্যবহার করে পরিচালিত কথিত ফেক আইডি, বিভ্রান্তিকর ভিডিও বার্তা এবং অপপ্রচারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন স্থানীয়ভাবে আলোচিত জামাল উদ্দিন ওরফে ‘সুদি খোকন’—যদিও এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই এখনো সম্পন্ন হয়নি।
স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বেনামী ও কথিত ফেক আইডি থেকে স্থানীয় ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন এবং বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে। সম্প্রতি মৃত ব্যক্তিদের পরিচয় ব্যবহার করে পরিচালিত কিছু অ্যাকাউন্ট নতুন করে জনমনে উদ্বেগ তৈরি করেছে বলে তারা জানান।
অভিযোগকারীদের ভাষ্যমতে, এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে জনমত প্রভাবিত করা, প্রকৃত তথ্য আড়াল করা এবং বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক নথি বা তদন্ত প্রতিবেদন এখনো প্রকাশিত হয়নি।
স্থানীয়দের একাংশ অতীতের কিছু আলোচিত ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, পারিবারিক কবরস্থানের ওপর ভবন নির্মাণ নিয়ে একসময় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ওই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সংবাদকর্মী ও একটি মানবিক সংগঠনকে লক্ষ্য করে অপপ্রচারের অভিযোগও ওঠে—যদিও এসব দাবিও স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
এলাকাবাসীর একাংশ আরও দাবি করেন, বিতর্কিত বলে আলোচিত স্থাপনার চারপাশে পরবর্তীতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়, যা নিয়ে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে, অভিযোগ রয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বিকৃত ছবি তৈরি, বেনামী অ্যাকাউন্ট পরিচালনা এবং বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ছড়ানো হচ্ছে। এসব কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে সামাজিক পরিবেশে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন।
এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে কিছু সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমকে ঘিরেও বিতর্কের কথা শোনা যায়। অভিযোগকারীদের দাবি, কিছু উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত বা প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন ভিডিও, ছবি ও তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের দাবি উঠেছে। এলাকাবাসীর একাংশ মনে করেন, এসব ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে—তা স্পষ্ট হওয়া জরুরি।
এ বিষয়ে সচেতন মহল মনে করছে, মৃত ব্যক্তির পরিচয় ব্যবহার করে ফেক আইডি পরিচালনা, অপতথ্য ছড়ানো এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার প্রমাণিত হলে তা গুরুতর অনৈতিক ও আইনগত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন।