সর্বশেষ
শিবচর বাজারে গ্যাসের কৃত্রিম সংকট রোধে প্রশাসনের অভিযান। ৩৫ জেলায় নিপাহের মহাবিপদ: ইতিহাসে প্রথম অ-মৌসুমি সংক্রমণ, মৃত্যুহার ১০০%! জেএফ-১৭ থান্ডার ক্রয়ে বাংলাদেশ–পাকিস্তান আলোচনায় গতি, মিলছে প্রশিক্ষণ–সহায়তার আশ্বাস যুবলীগ নেতা বাপ্পির নির্দেশেই হাদি হত্যাকাণ্ড, অভিযোগপত্রে ডিবির চাঞ্চল্যকর তথ্য শেরপুরে বিএনপিতে যোগ দিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৩০০ নেতাকর্মী ফ্লাশ করলেই মিলবে কিডনি রোগের সংকেত: টয়লেট ট্যাবলেটে যুগান্তকারী উদ্ভাবন কারসাজিতে এলপি গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান এনইআইআর ইস্যুতে রাজপথে উত্তাল মোবাইল ব্যবসায়ীরাপুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর বৈঠকে যে কড়া বার্তা দিলেন আন্দোলনকারীরা সেন্টমার্টিন উপকূলে কোস্টগার্ডের অভিযানে মিয়ানমারে পাচারের সময় সিমেন্ট ও ডিজেলসহ ১৮ জন আটক কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি

কমলনগরে অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নামমাত্র অভিযান দিয়ে দায়িত্ব শেষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার

প্রতিবাদী কন্ঠ
  • আপডেট সময় : ০৮:৫২:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫ ৫৬ বার পড়া হয়েছে

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ২০ টি অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে চারটিতে নামমাত্র অভিযান দিয়ে দায়িত্ব শেষ  করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.সব্যসাচী নাথ।

এতে গতিহীন হয়ে পড়েছে চিকিৎসা সেবা মনিটরিং কার্যক্রম। এর আগে নানা অনিয়মের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.সব্যসাচী নাথ চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে হত্যা মামলার আসামী হয়ে বদলী হয়ে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে আসেন। এখানে এসে তিনি ঠিকমতো দায়িত্ব পালন না করা ও প্রতি সাপ্তাহে বৃহস্পতিবার এলেই তাকে আর হাসপাতালে পাওয়া যায়না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সাপ্তাহের অন্যান্য দিনগুলোতেও জেলা এবং উপজেলায় বিভিন্ন মিটিংয়ের অজুহাতে থাকেননা হাসপাতালে। ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি বর্তমানে অভিভাবক শূন্য হয়ে গেছে। 

অন্যদিকে নিয়ন্ত্রণহীন এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে। স্বাস্থ্য সেবার নামে চলছে তাদের বেপরোয়া বানিজ্য।  খোদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনেই ৮ টি অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে।  স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নাকের ডগায় চলছে এসব অবৈধ রোগ নিরাময় কেন্দ্র। এতে অবৈধ ব্যবসায়ীদের দাপটে ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্য ব্যাবস্থা। অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো এ অঞ্চলের মানুষের কাছে এখন বিষফোঁড়া।  

জানা যায়, চলতি মাসে অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে হাঁকডাক দিয়ে অভিযান শুরু করেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। মাত্র একদিনে চারটিতে অভিযান দিয়ে কোনো ঘোষণা ছাড়াই থেমে যায় অভিযান। এই অভিযান নিয়েও দেখা দিয়েছে জনমনে নানা প্রশ্ন। উদ্দেশ্যপ্রনোদিত হয়ে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে গুঞ্জন আছে।  কোন কোন ডায়াগনস্টিক সেন্টার সম্পুর্ন অবৈধ, সেখানে ১০ হাজার টাকা। আবার কোন প্রতিষ্ঠানের মোটামুটি কাগজপত্র ঠিক  থাকলেও দুএকটি কাগজের জন ৫০ হাজার টাকা,  রি-এজেন্ট মেয়াদোত্তীর্নসহ অন্যান্য  অপরাধে মাত্র ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন।

সম্পুর্ন দায়সারাভাবে চলছে গুরুত্বপূর্ণ এ সেক্টরটি। স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দায়িত্ব অবহেলা, অব্যবস্থাপনা ও স্বজনপ্রীতির কারনে নিয়ন্ত্রণ নেই ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে অভিযান চলমানে কথা বললেও বাস্তবে এর কোনো সঠিক উত্তর নেই কর্মকর্তার কাছে।

তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.সব্যসাচীনাথ বলেন,অভিযান চলবে। আমরা সময়সাপেক্ষে আবার শুরু করবো অভিযান। তার এমন বক্তব্যকে দায়সারা আখ্যা দিয়ে উপজেলার সচেতন মহল মনে করছেন,এগুলো একজন দায়িত্বশীল মানুষের বক্তব্য হতে পারেনা। আপনি হাঁকডাক দিয়ে অভিযানে নেমে উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে চারটিতে বিতর্কিত জরিমানা করে এখন চুপচাপ রয়েছেন। এগুলো কিসের ইঙ্গিত বহন করে? 

লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা.আবু হসান শাহীন বলেন, বিষয়টির আমি খবর নিচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কমলনগরে অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নামমাত্র অভিযান দিয়ে দায়িত্ব শেষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার

আপডেট সময় : ০৮:৫২:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ২০ টি অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে চারটিতে নামমাত্র অভিযান দিয়ে দায়িত্ব শেষ  করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.সব্যসাচী নাথ।

এতে গতিহীন হয়ে পড়েছে চিকিৎসা সেবা মনিটরিং কার্যক্রম। এর আগে নানা অনিয়মের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.সব্যসাচী নাথ চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে হত্যা মামলার আসামী হয়ে বদলী হয়ে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে আসেন। এখানে এসে তিনি ঠিকমতো দায়িত্ব পালন না করা ও প্রতি সাপ্তাহে বৃহস্পতিবার এলেই তাকে আর হাসপাতালে পাওয়া যায়না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সাপ্তাহের অন্যান্য দিনগুলোতেও জেলা এবং উপজেলায় বিভিন্ন মিটিংয়ের অজুহাতে থাকেননা হাসপাতালে। ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি বর্তমানে অভিভাবক শূন্য হয়ে গেছে। 

অন্যদিকে নিয়ন্ত্রণহীন এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে। স্বাস্থ্য সেবার নামে চলছে তাদের বেপরোয়া বানিজ্য।  খোদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনেই ৮ টি অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে।  স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নাকের ডগায় চলছে এসব অবৈধ রোগ নিরাময় কেন্দ্র। এতে অবৈধ ব্যবসায়ীদের দাপটে ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্য ব্যাবস্থা। অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো এ অঞ্চলের মানুষের কাছে এখন বিষফোঁড়া।  

জানা যায়, চলতি মাসে অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে হাঁকডাক দিয়ে অভিযান শুরু করেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। মাত্র একদিনে চারটিতে অভিযান দিয়ে কোনো ঘোষণা ছাড়াই থেমে যায় অভিযান। এই অভিযান নিয়েও দেখা দিয়েছে জনমনে নানা প্রশ্ন। উদ্দেশ্যপ্রনোদিত হয়ে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে গুঞ্জন আছে।  কোন কোন ডায়াগনস্টিক সেন্টার সম্পুর্ন অবৈধ, সেখানে ১০ হাজার টাকা। আবার কোন প্রতিষ্ঠানের মোটামুটি কাগজপত্র ঠিক  থাকলেও দুএকটি কাগজের জন ৫০ হাজার টাকা,  রি-এজেন্ট মেয়াদোত্তীর্নসহ অন্যান্য  অপরাধে মাত্র ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন।

সম্পুর্ন দায়সারাভাবে চলছে গুরুত্বপূর্ণ এ সেক্টরটি। স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দায়িত্ব অবহেলা, অব্যবস্থাপনা ও স্বজনপ্রীতির কারনে নিয়ন্ত্রণ নেই ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে অভিযান চলমানে কথা বললেও বাস্তবে এর কোনো সঠিক উত্তর নেই কর্মকর্তার কাছে।

তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.সব্যসাচীনাথ বলেন,অভিযান চলবে। আমরা সময়সাপেক্ষে আবার শুরু করবো অভিযান। তার এমন বক্তব্যকে দায়সারা আখ্যা দিয়ে উপজেলার সচেতন মহল মনে করছেন,এগুলো একজন দায়িত্বশীল মানুষের বক্তব্য হতে পারেনা। আপনি হাঁকডাক দিয়ে অভিযানে নেমে উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে চারটিতে বিতর্কিত জরিমানা করে এখন চুপচাপ রয়েছেন। এগুলো কিসের ইঙ্গিত বহন করে? 

লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা.আবু হসান শাহীন বলেন, বিষয়টির আমি খবর নিচ্ছি।