একদিকে জনতার আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক সালে আহমেদ মেম্বার, অন্যদিকে বিতর্কের ছায়ায় পলাশ মেম্বার—নরোত্তমপুর ইউনিয়নে দুই ভিন্ন চিত্র।
- আপডেট সময় : ০৩:৪৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০ নং নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডে জনসেবার এক উজ্জ্বল নাম হিসেবে পরিচিত সালে আহমেদ মেম্বার। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে তিনি এলাকায় গড়ে তুলেছেন আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসার এক অনন্য অবস্থান। জনগণের ভোটে বারবার নির্বাচিত এই জনপ্রতিনিধি আজ শুধু একজন মেম্বার নন—তিনি সাধারণ মানুষের আশা-ভরসার প্রতীক।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রাত-দিন, বিপদ-আপদ কিংবা অসহায় মানুষের কোনো সংকটে সবার আগে যাঁর নাম উঠে আসে, তিনি সালে আহমেদ মেম্বার। রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন, সামাজিক বিরোধ নিষ্পত্তি, দরিদ্র পরিবারের সহায়তা থেকে শুরু করে তরুণ সমাজকে সঠিক পথে রাখতে তার সক্রিয় ভূমিকা এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার আলোচনায় বারবার উঠে আসে তার জনবান্ধব কর্মকাণ্ড।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, তিনি যেন কাদামাটির ভিড়েও ফুটে থাকা এক পদ্মফুল—যিনি প্রতিকূলতার মাঝেও জনসেবাকে নিজের দায়িত্ব হিসেবে ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ে—সবখানেই তার জনআস্থার অবস্থান সুদৃঢ়।
অন্যদিকে, একই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য পলাশ মেম্বারকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে নানা অভিযোগ ও বিতর্কের বিষয় আলোচনায় এসেছে বলে দাবি করছেন এলাকাবাসীর একটি অংশ। তাদের অভিযোগ, জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের চেয়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়েই তার নাম বেশি উচ্চারিত হয়।
এলাকার কিছু বাসিন্দার আরও অভিযোগ—বিভিন্ন সময় সামাজিকভাবে সক্রিয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কিশোর গ্যাং ব্যবহার ও ফেক আইডির মাধ্যমে সম্মানহানির মতো কর্মকাণ্ডের গুঞ্জন এলাকায় ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও কেউ কেউ তুলেছেন, যা স্থানীয়ভাবে নানা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন বিষয়ে সাংবাদিকরা তার বক্তব্য নিতে গেলে তিনি প্রায়ই ফোন কেটে দেন বা যোগাযোগ এড়িয়ে যান—যা নিয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মধ্যেও অসন্তোষ রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং মাঠ পর্যায় স্বাভাবিক জীবনযাপন করা মানুষদের কাছে পলাশ মেম্বার এক আতঙ্কের নাম, যার চেহারায় এতটা ভয়ংকর চোখ দুটো সব সময় আগুনের মত লাল হয়ে থাকে। চেহারাতেও ভয়ংকর এক নমুনা যা সত্য কোন মানুষের মেনে নিতে পারে না তার ভাষাগত ভয়ংকর গালি এবং লাঠিয়াল বাহিনীর প্রভাব খাটিয়ে নিজেকে সুপ্রিয় মেম্বার হিসেবে দাবি করে। তার মাধ্যমে এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ এর ছিটে ফুটেও দেখা যায় নাই বিতর্ক নারি কেলেঙ্কারি মাদক কিশোর গ্যঙ এটাই তার পরিপূর্ণ পুঁজি।
এই পুঁজি কাজে লাগিয়ে সমাজের সুস্থ মানুষদেরকে অসুস্থ বানিয়ে রাখে পলাশ মেম্বার। তাই পলাশ নাম্বারের নাম শুনলে অনেকে বয় মুখ খুলে না।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একজন জনপ্রতিনিধির প্রকৃত মূল্যায়ন তার পদবি নয়, বরং জনগণের জন্য তার কাজ। সেই বিচারে নরোত্তমপুর ইউনিয়নে সালে আহমেদ মেম্বার জনআস্থার এক শক্ত প্রতীক, আর পলাশ মেম্বারকে ঘিরে নানা বিতর্কের গুঞ্জন এখনো এলাকায় আলোচনার বিষয়।ফেক আইডি পলাশ মেম্বারের লোকজন অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেন সম্মানী মানুষের সম্মানহানি করার জন্য মিথ্যা অপবাদ আর চরিত্র হনন তার বাহিনীর মুল কাজ।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা—সত্য, ন্যায় ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে জনসেবামূলক নেতৃত্বই সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং মানুষের আস্থা ও উন্নয়নের পথকে আরও সুদৃঢ় করবে।




















