সর্বশেষ

নরোত্তমপুর ইউনিয়নে দুই জনপ্রতিনিধির কার্যক্রম নিয়ে ভিন্নমুখী আলোচনা—একজন প্রশংসিত, অন্যজন সমালোচিত

নোয়াখালী প্রতিনিধি, স্টাফ রিপোর্টার আবু তাহের খোকন
  • আপডেট সময় : ০৫:১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

 

নোয়াখালী বেগমগঞ্জ থানার ১০নং নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে উন্নয়নমূলক কাজ ও সামাজিক কার্যক্রমে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করছেন সালেহ আহমেদ মেম্বার।

তিনি টানা তিনবার জনগণের ভোটে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচিত হয়ে ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্ন ও জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে এলাকাবাসীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। স্থানীয়দের মতে, তাঁর ধারাবাহিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগের ফলে পুরো এলাকায় ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত এই জনপ্রতিনিধি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সামাজিক উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন। এলাকার ছোট-বড় যেকোনো সমস্যায় সাধারণ মানুষ তাকে পাশে পান—এমনটাই মন্তব্য করেছেন স্থানীয়রা। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কাজে সরাসরি সম্পৃক্ত আছেন বলে জানা গেছে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর কার্যক্রম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।

অন্যদিকে একই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আরেকজন জনপ্রতিনিধি পলাশ মেম্বারের কর্মকাণ্ড নিয়ে এলাকায় ভিন্নমুখী আলোচনা ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তিনবার নির্বাচিত হলেও তার কার্যক্রমে দৃশ্যমান উন্নয়ন বা জনকল্যাণমূলক কাজ খুব একটা লক্ষ্য করা যায়নি। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষের কথাও শোনা যাচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, তার কিছু কর্মকাণ্ড বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয় আলোচনায় সমালোচনার জন্ম দিয়েছে, যা নিয়ে জনমনে প্রশ্নও তৈরি হয়েছে।

তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, পলাশ মেম্বারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও অসামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে—যার মধ্যে রয়েছে ফেক আইডি সংক্রান্ত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা, ব্যক্তিগত স্বার্থে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ, দোকানপাটে প্রভাব বিস্তার, বাকি খেয়ে টাকা পরিশোধ না করা, শ্রমিকদের পাওনা ও কমিশন সংক্রান্ত অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগ।

এছাড়া স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, এলাকায় কোনো সমস্যা সৃষ্টি হলে উভয় পক্ষের মধ্যে সমাধানের পরিবর্তে বিরোধ জিইয়ে রেখে সালিশি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণের অভিযোগও উঠেছে, যা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ পর্যন্ত গড়িয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নরোত্তমপুর ইউনিয়নে দুই জনপ্রতিনিধির কার্যক্রম নিয়ে ভিন্নমুখী আলোচনা—একজন প্রশংসিত, অন্যজন সমালোচিত

আপডেট সময় : ০৫:১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

 

নোয়াখালী বেগমগঞ্জ থানার ১০নং নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে উন্নয়নমূলক কাজ ও সামাজিক কার্যক্রমে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করছেন সালেহ আহমেদ মেম্বার।

তিনি টানা তিনবার জনগণের ভোটে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচিত হয়ে ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্ন ও জনকল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে এলাকাবাসীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। স্থানীয়দের মতে, তাঁর ধারাবাহিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগের ফলে পুরো এলাকায় ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

আওয়ামী লীগ সমর্থিত এই জনপ্রতিনিধি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সামাজিক উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন। এলাকার ছোট-বড় যেকোনো সমস্যায় সাধারণ মানুষ তাকে পাশে পান—এমনটাই মন্তব্য করেছেন স্থানীয়রা। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কাজে সরাসরি সম্পৃক্ত আছেন বলে জানা গেছে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁর কার্যক্রম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।

অন্যদিকে একই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আরেকজন জনপ্রতিনিধি পলাশ মেম্বারের কর্মকাণ্ড নিয়ে এলাকায় ভিন্নমুখী আলোচনা ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তিনবার নির্বাচিত হলেও তার কার্যক্রমে দৃশ্যমান উন্নয়ন বা জনকল্যাণমূলক কাজ খুব একটা লক্ষ্য করা যায়নি। এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষের কথাও শোনা যাচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, তার কিছু কর্মকাণ্ড বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয় আলোচনায় সমালোচনার জন্ম দিয়েছে, যা নিয়ে জনমনে প্রশ্নও তৈরি হয়েছে।

তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, পলাশ মেম্বারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও অসামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে—যার মধ্যে রয়েছে ফেক আইডি সংক্রান্ত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা, ব্যক্তিগত স্বার্থে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ, দোকানপাটে প্রভাব বিস্তার, বাকি খেয়ে টাকা পরিশোধ না করা, শ্রমিকদের পাওনা ও কমিশন সংক্রান্ত অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগ।

এছাড়া স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, এলাকায় কোনো সমস্যা সৃষ্টি হলে উভয় পক্ষের মধ্যে সমাধানের পরিবর্তে বিরোধ জিইয়ে রেখে সালিশি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণের অভিযোগও উঠেছে, যা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ পর্যন্ত গড়িয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।