নরোত্তমপুরের একটি সামাজিক সংগঠনকে ঘিরে আলোচনা ও বিতর্ক, প্রতিষ্ঠাতার প্রতিবাদী মন্তব্য
- আপডেট সময় : ১২:১০:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের তথাকথিত বিতর্কিত একটি সামাজিক সংগঠনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সংগঠনটির কার্যক্রম, অর্থ সংগ্রহ ও পরিচালনা পদ্ধতি নিয়ে স্থানীয়দের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন।নামমাত্র সংগঠন চিহ্নিত বিতর্কিত লোকদের আগমন । তথাকথিত নিষিদ্ধ সংগঠন এর লোকদের মাথা গোঁজানোর ঠাই মাদক সেবনকারীদের আশ্রয়দাতা। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মানুষদেরকে বিতর্কিত করে সরিয়ে রাখা, বিভিন্ন কৌশল অর্থ হাতিয়ে নিয়ে। ফেক আইডি চালানো নোংরা কর্মকান্ডের সাথে জড়িয়ে থাকা লোকদেরকে বুকে টেনে নিয়ে আর্থিক উদ্দেশ্য হাসিল করার একজন কুখ্যাত চিহ্নিত বলদকারের ছেলেকেও একটি প্রোগ্রামে দেখা যায়। এমনটাই যেন এই সংগঠনের নীতিমালা। এই সংগঠনটির উদ্দেশ্য মূলত তাদের ব্যক্তিত্ব হাসিল করা বিভিন্ন কৌশলে মানুষ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া। আর এই টাকার ভাগ বাটোয়ারা করে কিছু অংশ খরচ করে বাকিটা তাদের বোগ বিলাসিতা। এই সংগঠনে প্রতিষ্ঠিত কোন ব্যক্তি নাই বললেই চলে। মানুষের টাকার উপর নির্ভর করে। কারো সামান্য চাকরি কেউবা খুঁজে ফন্দি।
নাই কোন নিবন্ধন আছে শুধু দ্বন্দ্ব আর অপকৌশল সাধারণ মানুষের চোখে ধুলা দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের কর্মকান্ড প্রশ্নবিদ্ধ।
স্থানীয় সূত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, খেলাধুলা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, শিক্ষা ও সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের নামে সংগঠনটি বিভিন্ন সময়ে অর্থ সংগ্রহ করেছে। তবে সংগৃহীত অর্থের ব্যবহার ও হিসাব-নিকাশ নিয়ে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে বলে কিছু মহল অভিযোগ তুলেছে।
এদিকে এ বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সমাজসেবামূলক পারি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ফিরোজ আহমেদ পলাশ। তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন,সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এলাকার সচেতন মহলের মতে, সামাজিক সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি।
সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।















