সর্বশেষ
মির্জাগঞ্জে ডাকবাংলোর সংষ্কার কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ইসলামী ইন্স্যুরেন্সে অনিয়মের অভিযোগে হাইকোর্টের নির্দেশ: ৩০ জুনের অভিযোগ ২৬ অক্টোবরের মধ্যে নিষ্পত্তির আদেশ, আইডিআরএকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ সিরাজগঞ্জে বন্যা মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি: জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে বন্যার্ত মানুষের পাশে পল্লী বিদ্যুৎ, তিন উপজেলায় ২ হাজার ৫০০ ত্রাণ প্যাকেট বিতরণ পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হলেন ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী বালিয়াডাঙ্গীতে ৩২ মামলার আসামী কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মোজাম গ্রেফতার বালিয়াডাঙ্গীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এরশাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত কীর্তনখোলায় মাঝিদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি: স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়েরের নির্দেশ আদালতের খানসামায় কৃষকদের মাঝে চারা, গোবর সার ও বাঁশের খুঁটি বিতরণ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের মাসিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ বা ব্যবসায়িক ভিসায় নতুন শর্ত: আবেদনেই জমা দিতে হতে পারে ১৮ লাখ টাকার বন্ড

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ০৮:১৩:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫ ১২৬ বার পড়া হয়েছে


যুক্তরাষ্ট্রে পর্যটন বা ব্যবসায়িক ভিসায় গিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় থাকার প্রবণতা রোধে কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে দেশটির সরকার। নতুন এক পরীক্ষামূলক কর্মসূচির আওতায় কিছু নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের ভিসার আবেদনের সময়ই দিতে হতে পারে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড—যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ লাখ টাকা।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই নতুন নিয়ম চালুর পরিকল্পনা করছে। মূলত যেসব দেশের নাগরিকরা পর্যটন বা ব্যবসায়িক ভিসায় এসে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও থেকে যান, তাদের জন্যই এ উদ্যোগ। প্রস্তাবিত এই বন্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে, আবেদনকারীরা নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করছেন কি না।

যদি কেউ নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন, তবে তার জমা রাখা বন্ডের সম্পূর্ণ বা আংশিক অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে। এটি একধরনের আর্থিক গ্যারান্টি হিসেবে কাজ করবে, যাতে ভিসার শর্ত ভঙ্গের হার কমে আসে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই পরিকল্পনা পরীক্ষামূলকভাবে প্রথমে ১২ মাসের জন্য চালু করা হবে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তাদের অভিবাসন নীতিকে আরও কার্যকর করতে চায়। যেসব দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি ভিসা-অপব্যবহার হয়, সেসব দেশের নাগরিকদের ওপরই প্রাথমিকভাবে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

এই প্রস্তাব কার্যকর হলে অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ কিংবা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে যাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন বাধার মুখে পড়বেন। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত বা নিম্নআয়ের মানুষদের জন্য এই অঙ্কের বন্ড জমা দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ ভ্রমণের সুযোগ সীমিত হয়ে যেতে পারে।

এই নতুন নীতিমালার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ভিসা ব্যবস্থাকে আরও নিয়ন্ত্রিত ও সুরক্ষিত করতে চায়, তবে এর প্রভাব পড়তে পারে বৈধ ভ্রমণকারীদের ওপরও।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ বা ব্যবসায়িক ভিসায় নতুন শর্ত: আবেদনেই জমা দিতে হতে পারে ১৮ লাখ টাকার বন্ড

আপডেট সময় : ০৮:১৩:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫


যুক্তরাষ্ট্রে পর্যটন বা ব্যবসায়িক ভিসায় গিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় থাকার প্রবণতা রোধে কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে দেশটির সরকার। নতুন এক পরীক্ষামূলক কর্মসূচির আওতায় কিছু নির্দিষ্ট দেশের নাগরিকদের ভিসার আবেদনের সময়ই দিতে হতে পারে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড—যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ লাখ টাকা।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই নতুন নিয়ম চালুর পরিকল্পনা করছে। মূলত যেসব দেশের নাগরিকরা পর্যটন বা ব্যবসায়িক ভিসায় এসে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও থেকে যান, তাদের জন্যই এ উদ্যোগ। প্রস্তাবিত এই বন্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে, আবেদনকারীরা নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করছেন কি না।

যদি কেউ নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন, তবে তার জমা রাখা বন্ডের সম্পূর্ণ বা আংশিক অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে। এটি একধরনের আর্থিক গ্যারান্টি হিসেবে কাজ করবে, যাতে ভিসার শর্ত ভঙ্গের হার কমে আসে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই পরিকল্পনা পরীক্ষামূলকভাবে প্রথমে ১২ মাসের জন্য চালু করা হবে। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তাদের অভিবাসন নীতিকে আরও কার্যকর করতে চায়। যেসব দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি ভিসা-অপব্যবহার হয়, সেসব দেশের নাগরিকদের ওপরই প্রাথমিকভাবে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

এই প্রস্তাব কার্যকর হলে অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ কিংবা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে যাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন বাধার মুখে পড়বেন। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত বা নিম্নআয়ের মানুষদের জন্য এই অঙ্কের বন্ড জমা দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ ভ্রমণের সুযোগ সীমিত হয়ে যেতে পারে।

এই নতুন নীতিমালার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ভিসা ব্যবস্থাকে আরও নিয়ন্ত্রিত ও সুরক্ষিত করতে চায়, তবে এর প্রভাব পড়তে পারে বৈধ ভ্রমণকারীদের ওপরও।