সর্বশেষ
শিবচর বাজারে গ্যাসের কৃত্রিম সংকট রোধে প্রশাসনের অভিযান। ৩৫ জেলায় নিপাহের মহাবিপদ: ইতিহাসে প্রথম অ-মৌসুমি সংক্রমণ, মৃত্যুহার ১০০%! জেএফ-১৭ থান্ডার ক্রয়ে বাংলাদেশ–পাকিস্তান আলোচনায় গতি, মিলছে প্রশিক্ষণ–সহায়তার আশ্বাস যুবলীগ নেতা বাপ্পির নির্দেশেই হাদি হত্যাকাণ্ড, অভিযোগপত্রে ডিবির চাঞ্চল্যকর তথ্য শেরপুরে বিএনপিতে যোগ দিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৩০০ নেতাকর্মী ফ্লাশ করলেই মিলবে কিডনি রোগের সংকেত: টয়লেট ট্যাবলেটে যুগান্তকারী উদ্ভাবন কারসাজিতে এলপি গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান এনইআইআর ইস্যুতে রাজপথে উত্তাল মোবাইল ব্যবসায়ীরাপুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর বৈঠকে যে কড়া বার্তা দিলেন আন্দোলনকারীরা সেন্টমার্টিন উপকূলে কোস্টগার্ডের অভিযানে মিয়ানমারে পাচারের সময় সিমেন্ট ও ডিজেলসহ ১৮ জন আটক কাফনের কাপড় পাঠিয়ে বিএনপি প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর হুমকি

রতনের পরিবার বাঁচাতে মানবতার ডাকে সাড়া দিন

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ১১:১১:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫ ৭০ বার পড়া হয়েছে


— প্রতিবাদী কণ্ঠ মানবিক সংগঠনের অনুরোধে মানবিক সংবাদ প্রতিবেদন

ঢাকা, ৫ জুলাই ২০২৫:
চকবাজারের এক কোণে, শহরের কোলাহল থেকে একটু দূরে বসবাস করতেন রতন। একসময় একটি দোকানে পরিশ্রম করে সংসারে সাহায্য করতেন তিনি। জীবনটা খুব সাদামাটা হলেও মায়ের ভালোবাসা আর ভাই হীরার সহানুভূতির ছায়ায় জীবনটা চলছিল ধীরে ধীরে। বাবা জীবিত, তবে নিঃস্পৃহ। সংসারের হাল ধরেছেন মা, রতন ও তার ভাই হীরা—তিনজন মিলে।

কিন্তু হঠাৎ করেই সবকিছু বদলে যায়।

দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ রতন আজ সম্পূর্ণ শয্যাশায়ী। তাঁর শরীর এখন আর চলতে চায় না, উঠে বসাও দুঃসাধ্য। এই অসুস্থ ছেলেকে একা রেখে রতনের মা আর গৃহকর্মে যেতে পারেন না। হীরা অল্প আয়ে একটি ফ্যাক্টরিতে কাজ করলেও, সেই আয় আজ অনাহার আর ঔষধের টানাপোড়েনে কিছুই যেন নয়।

রতনকে সাম্প্রতিক সময়ে ভর্তি করা হয়েছিল মিটফোর্ড হাসপাতালের স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে। কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় বহনের সামর্থ্য না থাকায় তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়িয়ে এনে রাখা হয়েছে এক ছোট ভাড়া ঘরে—মাসিক ভাড়া মাত্র ৩ হাজার টাকা হলেও সেটাও এখন তাদের কাছে অনেক বড় বোঝা।

চোখের সামনে ছেলেকে কষ্ট পেতে দেখে বারবার ভেঙে পড়ছেন মা। কান্না আর নিরুপায় হতাশায় মুখ থুবড়ে পড়ছে একটি পরিবার।

এই হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির খবর পেয়ে ‘প্রতিবাদী কণ্ঠ’ মানবিক সংগঠনের একদল সদস্য সরেজমিনে রতনের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের চোখেও জল চলে আসে। সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রাথমিক সহায়তা ইতোমধ্যেই প্রদান করা হয়েছে, তবে তা স্থায়ী সমাধান নয়।

রতনের চিকিৎসা, খাবার ও জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজন নিরবিচারে সহানুভূতির হাত।

প্রতিবাদী কণ্ঠ-এর পক্ষ থেকে সকল দয়ালু হৃদয়ের মানুষের প্রতি আহ্বান:

আসুন, আমরা রতনের পাশে দাঁড়াই।
আমাদের একটি ক্ষুদ্র সহায়তা হতে পারে রতনের পরিবারের জন্য নতুন জীবনের আশার আলো।

যোগাযোগের ঠিকানা:
📍 ৬৫/৩, ওয়াটার ওয়ার্কস রোড
প্রতিবাদী কণ্ঠ প্রধানের সাথে সরাসরি
📞 01305324013, 01918866653 ( যোগাযোগ )
💬 অথবা প্রতিবাদী কণ্ঠ ফেসবুক পেইজের ইনবক্সে।

🤲 দয়া ও সহানুভূতির হাত বাড়ান। রতনের পরিবার এখন মানবতার অপেক্ষায়।
একটি পরিবারের বাঁচার আশাটুকু আপনিই হতে পারেন।

মানবতা হোক আমাদের শক্তি।
সহানুভূতি হোক আগামী প্রজন্মের বার্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রতনের পরিবার বাঁচাতে মানবতার ডাকে সাড়া দিন

আপডেট সময় : ১১:১১:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫


— প্রতিবাদী কণ্ঠ মানবিক সংগঠনের অনুরোধে মানবিক সংবাদ প্রতিবেদন

ঢাকা, ৫ জুলাই ২০২৫:
চকবাজারের এক কোণে, শহরের কোলাহল থেকে একটু দূরে বসবাস করতেন রতন। একসময় একটি দোকানে পরিশ্রম করে সংসারে সাহায্য করতেন তিনি। জীবনটা খুব সাদামাটা হলেও মায়ের ভালোবাসা আর ভাই হীরার সহানুভূতির ছায়ায় জীবনটা চলছিল ধীরে ধীরে। বাবা জীবিত, তবে নিঃস্পৃহ। সংসারের হাল ধরেছেন মা, রতন ও তার ভাই হীরা—তিনজন মিলে।

কিন্তু হঠাৎ করেই সবকিছু বদলে যায়।

দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ রতন আজ সম্পূর্ণ শয্যাশায়ী। তাঁর শরীর এখন আর চলতে চায় না, উঠে বসাও দুঃসাধ্য। এই অসুস্থ ছেলেকে একা রেখে রতনের মা আর গৃহকর্মে যেতে পারেন না। হীরা অল্প আয়ে একটি ফ্যাক্টরিতে কাজ করলেও, সেই আয় আজ অনাহার আর ঔষধের টানাপোড়েনে কিছুই যেন নয়।

রতনকে সাম্প্রতিক সময়ে ভর্তি করা হয়েছিল মিটফোর্ড হাসপাতালের স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে। কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যয় বহনের সামর্থ্য না থাকায় তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়িয়ে এনে রাখা হয়েছে এক ছোট ভাড়া ঘরে—মাসিক ভাড়া মাত্র ৩ হাজার টাকা হলেও সেটাও এখন তাদের কাছে অনেক বড় বোঝা।

চোখের সামনে ছেলেকে কষ্ট পেতে দেখে বারবার ভেঙে পড়ছেন মা। কান্না আর নিরুপায় হতাশায় মুখ থুবড়ে পড়ছে একটি পরিবার।

এই হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির খবর পেয়ে ‘প্রতিবাদী কণ্ঠ’ মানবিক সংগঠনের একদল সদস্য সরেজমিনে রতনের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের চোখেও জল চলে আসে। সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রাথমিক সহায়তা ইতোমধ্যেই প্রদান করা হয়েছে, তবে তা স্থায়ী সমাধান নয়।

রতনের চিকিৎসা, খাবার ও জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজন নিরবিচারে সহানুভূতির হাত।

প্রতিবাদী কণ্ঠ-এর পক্ষ থেকে সকল দয়ালু হৃদয়ের মানুষের প্রতি আহ্বান:

আসুন, আমরা রতনের পাশে দাঁড়াই।
আমাদের একটি ক্ষুদ্র সহায়তা হতে পারে রতনের পরিবারের জন্য নতুন জীবনের আশার আলো।

যোগাযোগের ঠিকানা:
📍 ৬৫/৩, ওয়াটার ওয়ার্কস রোড
প্রতিবাদী কণ্ঠ প্রধানের সাথে সরাসরি
📞 01305324013, 01918866653 ( যোগাযোগ )
💬 অথবা প্রতিবাদী কণ্ঠ ফেসবুক পেইজের ইনবক্সে।

🤲 দয়া ও সহানুভূতির হাত বাড়ান। রতনের পরিবার এখন মানবতার অপেক্ষায়।
একটি পরিবারের বাঁচার আশাটুকু আপনিই হতে পারেন।

মানবতা হোক আমাদের শক্তি।
সহানুভূতি হোক আগামী প্রজন্মের বার্তা।