সর্বশেষ
বিপিজিএমইএ নির্বাচন ঘিরে অন্ধকার খেলা! জসীম উদ্দিনের ভূমিকা নিয়ে তুমুল প্রশ্ন—নিরপেক্ষ নাকি নেপথ্যের শক্তি? সংযমের শিক্ষা থেকে মানবতার জয়গান—ঈদুল ফিতর ২০২৬ মানবতার ডাকে সাড়া: রামপুরা বনশ্রীতে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের পাশে ‘মা কল্যাণ সংস্থা’ অসহায়দের পাশে মানবতার দীপ্ত উদাহরণ: শিল্পকলা একাডেমিতে ঈদ সামগ্রী বিতরণ নোয়াখালীর গণমাধ্যমে সাহসের প্রতীক ড. মোহাম্মদ আবু নাছের: অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক নির্ভীক কণ্ঠ চাটখিলে ৮ শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ, পাশে থাকার অঙ্গীকার বিএনপি নেতা শিমুলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল শেষে প্লাস্টিক শিল্পের সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় সভা, উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের আহ্বান নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি থেকে বাক প্রতিবন্ধী মোঃ ইব্রাহিম খলিল নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি প্রতিবাদী কন্ঠে সম্মানিত আজীবন সদস্য হিসেবে যোগ দিলেন মোছা: লিজা আক্তার প্রতিবাদী কন্ঠে সম্মানিত আজীবন সদস্য হিসেবে যোগ দিলেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম হুসাইন খান

বিপিজিএমইএ নির্বাচন ঘিরে অন্ধকার খেলা! জসীম উদ্দিনের ভূমিকা নিয়ে তুমুল প্রশ্ন—নিরপেক্ষ নাকি নেপথ্যের শক্তি?

মোঃ আজিম মিঞা
  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে


নিজস্ব প্রতিবেদন
বিপিজিএমইএ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্লাস্টিক শিল্পখাতে এখন উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নির্বাচনের আগেই অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ আর গোপন তৎপরতায় অস্থির হয়ে উঠেছে পুরো সেক্টর। এরই মধ্যে শিল্প উন্নয়ন ও সংস্কার পরিষদের আয়োজিত “সমস্যা, সমাধান ও সম্ভাবনা শীর্ষক মতবিনিময় সভা–২০২৬” থেকে উঠে এসেছে বিস্ফোরক সব তথ্য ও সতর্কবার্তা।

সভায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন সাবেক সভাপতি, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমান সার্ক চেম্বারের সভাপতি জনাব মোঃ জসীম উদ্দিন। তাকে ঘিরেই এখন ঘনীভূত হচ্ছে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক।
সভায় অংশগ্রহণকারী অধিকাংশ সদস্য সরাসরি অভিযোগ করে বলেন—
“একটি প্রভাবশালী মহল নির্বাচনকে নিয়ন্ত্রণে নিতে পর্দার আড়ালে সক্রিয় রয়েছে। আর এই প্রক্রিয়ায় কিছু নাম বারবার সামনে আসছে, যা উদ্বেগজনক।”
একইসঙ্গে তারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন—
“জসীম উদ্দিন এই সেক্টরের প্রতিষ্ঠিত ও সফল ব্যক্তিত্ব। তাকে বিতর্কিত করা মানে পুরো প্লাস্টিক শিল্পকে প্রশ্নবিদ্ধ করা।”
তবে এখানেই শেষ নয়—সভা থেকে তার প্রতিও কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।
“বর্তমান পরিস্থিতিতে তার প্রতিটি পদক্ষেপ নজরদারিতে রয়েছে। যদি তিনি নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হন বা কোনো পক্ষকে গোপনে সমর্থন দেন, তবে এর সম্পূর্ণ দায়ভার তাকেই বহন করতে হবে।”
সভায় আরও বলা হয়,
নির্বাচনকে ঘিরে ‘গোপন সমঝোতা’, ‘পর্দার আড়ালের লেনদেন’ বা ‘প্রভাব খাটানো’—এসব কিছুই কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
দুইটি প্যানেলের মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিপিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি এবং শিল্প উন্নয়ন ও সংস্কার পরিষদের আহ্বায়ক কে এ এম আলমগীর ইকবাল। সভায় উপস্থিত সদস্যদের অধিকাংশই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—
“এখন আর নীরব থাকার সময় নয়। যারা সেক্টরকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সদস্য আরও বলেন—
“বছরের পর বছর ধরে এই সংগঠনকে ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তি নিজেদের প্রভাব ধরে রাখতে চায়। কিন্তু এবার সেই সুযোগ দেওয়া হবে না।”
সভা শেষে জানানো হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে খুব শিগগিরই আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রতিরোধ গড়ে তোলারও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষণ:
বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিপিজিএমইএ নির্বাচন শুধু একটি সাংগঠনিক প্রক্রিয়া নয়—
এটি এখন পরিণত হয়েছে স্বচ্ছতা বনাম প্রভাব, ন্যায়বিচার বনাম গোপন নিয়ন্ত্রণের লড়াইয়ে।
শেষ প্রশ্ন:
জসীম উদ্দিন কি সত্যিই নিরপেক্ষ থাকবেন?
নাকি নেপথ্যের প্রভাবের অংশ হয়ে বিতর্ককে আরও ঘনীভূত করবেন?
এখন পুরো সেক্টরের চোখ এক জায়গায়—
এই নির্বাচনে সত্য ও স্বচ্ছতা বিজয়ী হবে, নাকি অন্ধকারই জয়ী হবে?

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিপিজিএমইএ নির্বাচন ঘিরে অন্ধকার খেলা! জসীম উদ্দিনের ভূমিকা নিয়ে তুমুল প্রশ্ন—নিরপেক্ষ নাকি নেপথ্যের শক্তি?

আপডেট সময় : ১২:৩৩:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬


নিজস্ব প্রতিবেদন
বিপিজিএমইএ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্লাস্টিক শিল্পখাতে এখন উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নির্বাচনের আগেই অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ আর গোপন তৎপরতায় অস্থির হয়ে উঠেছে পুরো সেক্টর। এরই মধ্যে শিল্প উন্নয়ন ও সংস্কার পরিষদের আয়োজিত “সমস্যা, সমাধান ও সম্ভাবনা শীর্ষক মতবিনিময় সভা–২০২৬” থেকে উঠে এসেছে বিস্ফোরক সব তথ্য ও সতর্কবার্তা।

সভায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন সাবেক সভাপতি, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমান সার্ক চেম্বারের সভাপতি জনাব মোঃ জসীম উদ্দিন। তাকে ঘিরেই এখন ঘনীভূত হচ্ছে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক।
সভায় অংশগ্রহণকারী অধিকাংশ সদস্য সরাসরি অভিযোগ করে বলেন—
“একটি প্রভাবশালী মহল নির্বাচনকে নিয়ন্ত্রণে নিতে পর্দার আড়ালে সক্রিয় রয়েছে। আর এই প্রক্রিয়ায় কিছু নাম বারবার সামনে আসছে, যা উদ্বেগজনক।”
একইসঙ্গে তারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন—
“জসীম উদ্দিন এই সেক্টরের প্রতিষ্ঠিত ও সফল ব্যক্তিত্ব। তাকে বিতর্কিত করা মানে পুরো প্লাস্টিক শিল্পকে প্রশ্নবিদ্ধ করা।”
তবে এখানেই শেষ নয়—সভা থেকে তার প্রতিও কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।
“বর্তমান পরিস্থিতিতে তার প্রতিটি পদক্ষেপ নজরদারিতে রয়েছে। যদি তিনি নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হন বা কোনো পক্ষকে গোপনে সমর্থন দেন, তবে এর সম্পূর্ণ দায়ভার তাকেই বহন করতে হবে।”
সভায় আরও বলা হয়,
নির্বাচনকে ঘিরে ‘গোপন সমঝোতা’, ‘পর্দার আড়ালের লেনদেন’ বা ‘প্রভাব খাটানো’—এসব কিছুই কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
দুইটি প্যানেলের মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিপিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি এবং শিল্প উন্নয়ন ও সংস্কার পরিষদের আহ্বায়ক কে এ এম আলমগীর ইকবাল। সভায় উপস্থিত সদস্যদের অধিকাংশই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন—
“এখন আর নীরব থাকার সময় নয়। যারা সেক্টরকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সদস্য আরও বলেন—
“বছরের পর বছর ধরে এই সংগঠনকে ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তি নিজেদের প্রভাব ধরে রাখতে চায়। কিন্তু এবার সেই সুযোগ দেওয়া হবে না।”
সভা শেষে জানানো হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে খুব শিগগিরই আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রতিরোধ গড়ে তোলারও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
বিশ্লেষণ:
বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিপিজিএমইএ নির্বাচন শুধু একটি সাংগঠনিক প্রক্রিয়া নয়—
এটি এখন পরিণত হয়েছে স্বচ্ছতা বনাম প্রভাব, ন্যায়বিচার বনাম গোপন নিয়ন্ত্রণের লড়াইয়ে।
শেষ প্রশ্ন:
জসীম উদ্দিন কি সত্যিই নিরপেক্ষ থাকবেন?
নাকি নেপথ্যের প্রভাবের অংশ হয়ে বিতর্ককে আরও ঘনীভূত করবেন?
এখন পুরো সেক্টরের চোখ এক জায়গায়—
এই নির্বাচনে সত্য ও স্বচ্ছতা বিজয়ী হবে, নাকি অন্ধকারই জয়ী হবে?