সর্বশেষ
ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যু, ইরানে ৪০ দিনের গণশোক ঘোষণাআন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রতিবাদী কণ্ঠ’র ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জসীমউদ্দীনের পা ভেঙেছে, সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা মানবিক সংগঠন ‘প্রতিবাদী কণ্ঠ’-এর আজীবন সদস্য তাজুল গুরুতর অসুস্থ, দোয়ার আহ্বান রাজধানীর বকশীবাজারে ‘প্রতিবাদী কণ্ঠ’-এর ইফতার সামগ্রী বিতরণ, শতাধিক অসহায় মানুষের মুখে হাসিনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা | কামরুল ইসলাম শুভ’র জন্মদিন – কেক কাটা সম্পন্ন, বিয়ে এখনো ‘লোডিং…’! সুন্দরবনে দস্যু দমনে জিরো টলারেন্স, নিরাপত্তা জোরদারে সমন্বিত অভিযান: প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম সৌদি প্রবাসী মোঃ সুজন ঢালী প্রতিবাদী কন্ঠের আজীবন সদস্য — মানবিক কর্মকাণ্ডে পাশে থাকার অঙ্গীকার মাদক বিরোধের জেরে রক্তাক্ত প্রতিশোধ: চরফ্যাশনে কুপিয়ে হত্যা রহিম ভূট্টু বেনাপোলের মানবাধিকার নেতা মিজানুর রহমান গুরুতর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত, ঢাকায় চিকিৎসাধীন ঢাকা চকবাজারের ব্যবসায়ী, প্রতিবাদী কণ্ঠ-এর সম্মানিত অনুদানদাতা ও আজীবন সদস্য সুমনের পিতার ইন্তেকাল

এতো নির্যাতন করেছিল যে দুই সপ্তাহ সিজদা দিতে পারিনি’ — আখতার হোসেনের ভয়াবহ বর্ণনা

প্রতিবাদী কণ্ঠ
  • আপডেট সময় : ০৪:১১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫ ৬৬ বার পড়া হয়েছে

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের হাতে প্রথম গ্রেপ্তারের পর নির্মম নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সদস্য সচিব আখতার হোসেন। তিনি বলেন,
‘আমার হাঁটুতে এমনভাবে আঘাত করেছিল যে পরের দুই সপ্তাহ হাঁটু গেড়ে সিজদা দিতে পারিনি। এই ভয়াবহ নির্যাতনের মধ্য দিয়েই আমরা এগিয়ে গেছি।’

সম্প্রতি ঢাকায় আয়োজিত এক রাজনৈতিক আলোচনা সভায় তিনি নিজের সেই নির্মম অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।

আখতার হোসেন জানান, ২০২১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে আন্দোলনের পর তাকে প্রথমবারের মতো গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বলেন,
‘মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়ে আনা হলো, আন্দোলন হলো, অনেক মানুষ শহীদও হলেন। সেই সময় আমাকে শাহবাগ থেকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।’

এরপর যা ঘটেছিল তা যেন এক দুঃস্বপ্নের মতো—
‘শাহবাগ থানায় নিয়ে আমার হাত দুটি পেছনে বেঁধে চোখ বেঁধে ফেলা হয়। পরে একটি গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হাত খুলে ওপরের দিকে বাঁধা হয়, আর চোখ বাঁধা অবস্থায় শুরু হয় নির্যাতন।’

তিনি বলেন, ‘আমার হাঁটুতে এমনভাবে মারল যে, টানা দুই সপ্তাহ সিজদা দিতে পারিনি। তবু ধৈর্য হারাইনি। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখেছি।’

আখতার হোসেন আরও জানান, ২০২২ সালেও তাকে দ্বিতীয়বারের মতো গ্রেপ্তার করে একইভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল।
তার ভাষায়, ‘আমরা নির্যাতনের ভয় পাই না, কারণ সত্য ও ন্যায়ের পথে থাকার শক্তি আল্লাহই দেন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

এতো নির্যাতন করেছিল যে দুই সপ্তাহ সিজদা দিতে পারিনি’ — আখতার হোসেনের ভয়াবহ বর্ণনা

আপডেট সময় : ০৪:১১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের হাতে প্রথম গ্রেপ্তারের পর নির্মম নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সদস্য সচিব আখতার হোসেন। তিনি বলেন,
‘আমার হাঁটুতে এমনভাবে আঘাত করেছিল যে পরের দুই সপ্তাহ হাঁটু গেড়ে সিজদা দিতে পারিনি। এই ভয়াবহ নির্যাতনের মধ্য দিয়েই আমরা এগিয়ে গেছি।’

সম্প্রতি ঢাকায় আয়োজিত এক রাজনৈতিক আলোচনা সভায় তিনি নিজের সেই নির্মম অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।

আখতার হোসেন জানান, ২০২১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে আন্দোলনের পর তাকে প্রথমবারের মতো গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বলেন,
‘মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়ে আনা হলো, আন্দোলন হলো, অনেক মানুষ শহীদও হলেন। সেই সময় আমাকে শাহবাগ থেকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।’

এরপর যা ঘটেছিল তা যেন এক দুঃস্বপ্নের মতো—
‘শাহবাগ থানায় নিয়ে আমার হাত দুটি পেছনে বেঁধে চোখ বেঁধে ফেলা হয়। পরে একটি গাড়িতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হাত খুলে ওপরের দিকে বাঁধা হয়, আর চোখ বাঁধা অবস্থায় শুরু হয় নির্যাতন।’

তিনি বলেন, ‘আমার হাঁটুতে এমনভাবে মারল যে, টানা দুই সপ্তাহ সিজদা দিতে পারিনি। তবু ধৈর্য হারাইনি। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখেছি।’

আখতার হোসেন আরও জানান, ২০২২ সালেও তাকে দ্বিতীয়বারের মতো গ্রেপ্তার করে একইভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল।
তার ভাষায়, ‘আমরা নির্যাতনের ভয় পাই না, কারণ সত্য ও ন্যায়ের পথে থাকার শক্তি আল্লাহই দেন।’